রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলায় নাট্যনির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকুকে সোমবার রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
হত্যা মামলাটির বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানাতে পারেননি গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদ আলম। জানা গেছে, ১২ সেপ্টেম্বর হওয়া একটি হত্যা মামলায় রাফাত মজুমদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি। রিংকুকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন নির্মাতা ও শিল্পীদের একাংশ। এ নিয়ে তারা ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।
নির্মাতাকে আটকের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে নির্মাতা আশফাক নিপুণ এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘রাফাত মজুমদার রিংকু আমাদের নির্মাতা ছোট ভাই। গতকাল রাতে কোনো এক ব্যক্তির করা গায়েবি মামলায় গুলশান থানা পুলিশ তাকে আটক করেছে। অবিলম্বে রিংকুর মুক্তি চাই। গায়েবি মামলার নামে অজ্ঞাতনামা যাকে তাকে আসামি বানানোর কালচার বন্ধ হোক।’ রিংকুর মুক্তি দাবি করে নির্মাতা শিহাব শাহীন লিখেন, ‘অবিলম্বে রিংকুর মুক্তি চাই! তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা শত্রুতামূলক ও মিথ্যা।’ মিজানুর রহমান আরিয়ান লিখেন, ‘অবিলম্বে নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকুর মুক্তি চাই। হয়রানিমূলক মামলার সংস্কৃতি বন্ধ হোক। রিংকু মুক্তি পাক, কাজে ফিরুক।’
রিংকুর পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘রাফাত মজুমদার রিংকুকে সবসময় সবার বিপদে পাশে দাঁড়াতে দেখেছি। আমার যারা সহশিল্পী আছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ আপনারাও তার এই বিপদে তার পাশে দাঁড়ান।’
অভিনেত্রী তানজিন তিশা লিখেন, ‘রাফাত মজুমদার রিংকু ভাই কখনো কারোর ক্ষতির কারণ হতে পারে না। দ্রুত নির্মাতা রিংকু ভাইকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
এক আবেগঘন পোস্টে অভিনেতা খায়রুল বাসার লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি এবং আমি জানি, নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকু কখনো কারোর ক্ষতির কারণ হতে পারে না। নির্মাতা রিংকুকে যারা চেনেন বা জানেন, তারাও তা ভালো করেই জানার কথা। যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে সে আটক হয়ে থাকে, তাহলে এ পরিবর্তিত সময়ে সবার উচিত যার যার অবস্থান থেকে এমন পদক্ষেপের প্রতিবাদ করা। দ্রুত নির্মাতা রিংকুকে মুক্তি দেওয়া হোক।’