নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারে সব দিক পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার। একইসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার গৃহীত সংস্কারকাজের সময় দীর্ঘায়িত হবে বলে মন্তব্য করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বদিউল আলম মজুমদার এসব কথা বলেন।
গত সোমবার মূল সংস্কার শেষে আগামী দেড় বছরের মধ্যে একটি নির্বাচন হতে পারে বলে রয়টার্সকে বলেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বদিউল আলমের কাছে জানতে চাওয়া হয়, নির্বাচন কমিশনের সংস্কারও তো এই সময়ের মধ্যে করতে হবে; এই সময়ের মধ্যে তারা নির্বাচন ব্যবস্থার কী কী সংস্কার করছেন। তিনি বলেন, ‘সব নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে, নির্বাচনী ব্যবস্থার সব দিক নিয়ে আমরা পর্যালোচনা করব এবং তার ভিত্তিতে সুপারিশ প্রণয়ন করব। এটা বাস্তবায়নের দায়িত্ব কিন্তু আমাদের নয়। ৯০ দিন আমাদের সময় দেওয়া হয়েছে। ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।’
সেনাপ্রধানের মন্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই সময়ের মধ্যে সংস্কার করে নির্বাচন সম্ভব কি না জানতে চাইলে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘এটা আমার জানার কথা নয়। আমার ধারণা, সরকার ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়েই এটা নির্ধারিত হবে। আমার এ ব্যাপারে কিছুই করার নেই।’
তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি এটা (সংস্কার) দীর্ঘায়িত হবে। রাজনৈতিক দল ও সরকারের সংলাপ হবে এবং একটা রোডম্যাপ তৈরি হবে। তার ভিত্তিতেই বোধহয় সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত হবে।’