রাজধানীর শ্যামপুর মিরহাজীরবাগ এলাকায় মাহিবুল ইসলাম মাহি (২৩) নামের এক মেডিকেল শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। তিনি বারডেম মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে অচেতন অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত মাহির খালাতো ভাই আসিফুল ইসলাম রিফাত জানান, তার বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নুনাবতি গ্রামে। থাকতেন বারডেম মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে। মিরহাজীরবাগের তার মা ফাতেমা আক্তার ভাড়া বাসায় থাকেন আর বাবা মিজানুর রশিদ সৌদিআরব প্রবাসী।
রিফাত আরও বলেন, মাহি বারডেম কলেজের হোস্টেলে থেকেই লেখাপড়া করতেন। প্রতি সপ্তাহে মিরহাজীরবাগের বাসায় যেতেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে হোস্টেল থেকে বাসায় যান। কাউকে কিছু না বলে নিজ রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সারাশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে দেখা যায়- বারান্দার কাপর শুকানোর রশি গলায় পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে মাহি। ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।
রিফাত আরও জানান, মাহির সহপাঠীর কাছ থেকে জানা গেছে- একটি মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মাহির। পরে সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর থেকে আপসেট ছিলেন মাহি। ধারণা করা হচ্ছে- প্রেমের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন থেকেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মাহির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শ্যামপুর থানা পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।