মেহজাবীনের বড় পাওয়া

এই সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। ছোট পর্দার সব ক্যাটাগরিতে শীর্ষস্থান দখল করে অভিষিক্ত হয়েছেন বড় পর্দায়। সম্প্রতি কানাডার একটি চলচ্চিত্র উৎসবে তার প্রথম চলচ্চিত্র সাবা’র প্রদর্শনী হয়েছে। এরপরেই বুসান চলচ্চিত্র উৎসবেও তার অভিনীত চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে।

৪৯তম টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ডিসকভারি প্রোগ্রামে নির্বাচিত হয়ে চলতি মাসে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয় এই মেহজাবীনের প্রথম সিনেমার। নতুন খবর হলো, মাকসুদ হোসেন পরিচালিত এ সিনেমাটি দেখানো হবে ২৯তম বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ‘অ্যা উইন্ডো অন এশিয়ান সিনেমা’ বিভাগে। নিজের চলচ্চিত্র নিয়ে উচ্ছ্বসিত মেহজাবীন চৌধুরী এখন কানাডাতেই রয়েছেন। সেখান থেকেই জানাচ্ছেন নিজের অভিমত ও প্রতিক্রিয়া। এই যে আজকের এই অবস্থানে আসার পেছনের মানুষদের মোটেও ভুলছেন না অভিনেত্রী। খুব করে মনে রেখেছেন, একই সঙ্গে জানাচ্ছেন কৃতজ্ঞতাও। মেহজাবীন চৌধুরীর বড় পর্দায় অভিষেক ও একের পর এক নামি চলচ্চিত্র উৎসবে চলচ্চিত্র নির্বাচিত হওয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন অভিনেতা সজল। একই সঙ্গে জানিয়েছেন মেহজাবীনের জন্য সর্বময় দোয়া। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এসব জানান সজল।

সজল ক্যারিয়ারে মেহজাবীনকে অনেক সমর্থন করেছেন বলেও জানালেন তিনি। সজল সম্পর্কে মেহজাবীন চৌধুরী নিজের অভিমত প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার নাটকের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে যার অবদান সবচেয়ে বেশি ছিল তিনি হচ্ছেন সজল ভাইয়া। ভাইয়া আমাকে জোর করে নাটকে কাজ করতে বলতেন আর আমি পালিয়ে বেড়াতাম। কারণ আমার মনে হতো, অভিনয় আমার জন্য না।

এখন পর্যন্ত সজলের নেপথ্য থেকে সমর্থন অব্যাহত আছে বলে জানান মেহজাবীন। সজল সম্পর্কে বলতে গিয়ে মেহজাবীন চৌধুরী আরও বললেন, ‘২০১১-২০১২ সালের দিকে চ্যানেল খুললেই শুধুমাত্র ভাইয়াকে দেখতাম। সেই মানুষটি আমার মতো নবাগতা একজনকে অনেক সাপোর্ট করেছেন। অনেকগুলো বছর কেটে গেলেও আমার প্রতি সজল ভাইয়ার সাপোর্ট একটুও কমেনি। প্রথম সিনেমার জন্য তার আশীর্বাদ আমার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ, অনেক বড় পাওয়া।’

মেহজাবীন চৌধুরী এখন কানাডায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ফেসবুকে নানা রঙের ছবি পোস্ট করছেন। দারুচিনি-রঙা লুকের ছবিগুলো তোলা হয়েছে কানাডার ফোর্ট ইয়র্ক বুলেভার্ডে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রদর্শিত হলেও ‘সাবা’ দেশে মুক্তি পাবে ২০২৫ সালে। মাকসুদ হোসেন পরিচালিত এই সিনেমাতে মেহজাবীন ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন মোস্তফা মনওয়ার, রোকেয়া প্রাচী প্রমুখ।