বীমা মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলে: কাজিম উদ্দিন

কর্মে সফলতা পেতে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণ কর্মীদের মাঝে কাজ ও দায়িত্ববোধ সম্বন্ধে অবহিত করার পাশাপাশি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার ভিক্তি স্থাপন করে। প্রশিক্ষণ ছাড়া কর্মীদের ফলপ্রসূ কর্মসম্পাদন আশা করা যায় না। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকাসুরেন্স পলিসি বিপণন বিষয়ে প্রাইম ব্যাংকের ৭৫ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স।

শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ন্যাশনাল লাইফের প্রধান কার্যালয়ে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন কোম্পানির সিএফও প্রবীর চন্দ্র দাস।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল লাইফের সিইও মো. কাজিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের ডিএমডি এম নাজিম এ চৌধুরী। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় লাইফ ইনস্যুরেন্স পলিসি বিপণনের বিভিন্ন দিক নিয়ে ন্যাশনাল লাইফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।   

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল লাইফের সিইও মো. কাজিম উদ্দিন।

ন্যাশনাল লাইফের সিইও মো. কাজিম উদ্দিন বলেন, অর্থনীতিতে বীমার গুরুত্ব অপরিসীম। বীমা মানুষকে সঞ্চয়মুখী করার মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলে। বীমার মাধ্যমে সঞ্চিত টাকা জীবনের যেকোনো জটিল মূহুর্তে ছায়া হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি বলেন, ন্যাশনাল লাইফ বিগত ৪০ বছর ধরে বিশ্বস্ততার সঙ্গে মানুষকে বীমা সেবা দিয়ে আসছে এবং দাবির টাকা যথাসময়ে গ্রাহকের বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দিচ্ছে। ব্যাংকাস্যুরেন্সের মাধ্যমে এ সেবা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে। পরে তিনি ন্যাশনাল লাইফের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। 

ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের ১০ জন নির্বাহী কর্মকর্তা ভারতের কলকাতায় ১৫ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ৩ দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণে অংশ নেন। কলকাতার কেনিলওরথ হোটেলে আয়োজিত প্রশিক্ষণে আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষক ড. বিনীত আগারওয়াল এ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন সিইও মো. কাজিম উদ্দিন, ডিএমডি অ্যান্ড সিএফও  প্রবীর চন্দ্র দাস। 

একইসঙ্গে পলিসি বিপণনে উচ্চতর কৌশল আহরণে ন্যাশনাল লাইফের ২৮ জন উন্নয়ন কর্মকর্তা অপর একটি প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণ করে। কলকাতার কেনিলওরথ হোটেলে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে ভারতের প্রখ্যাত প্রশিক্ষক ড. রাকেশ ও চন্দ্রানী সরকার প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।