দেশের সৃজনশীল প্রকাশকরা বলেছেন, রাজনৈতিক এবং দলীয় বিবেচনায় নয়, বইয়ের গুণগত মান বিচারে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে মূল্যায়ন করা উচিত। গত ১৭ বছরে যারা রাজনীতি এবং দলীয় পরিচয়ে সরকারি প্রকল্পের বই ক্রয়ে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত, তাদের শে^তপত্র প্রকাশ এবং সরকারকে এর তদন্তের অনুরোধ জানাবে সৃজনশীল প্রকাশক ওয়ার্কিং কমিটি। এ ছাড়া একুশে বইমেলায় প্যাভিলিয়ন পদ্ধতি বাতিল ও স্টল ভাড়া কমানো এবং পাঠকদের জন্য ভালো বই মুদ্রণের আহ্বান জানানো হয়।
গতকাল শনিবার ‘বইমেলা এবং সরকারি ক্রয়নীতি’ শীর্ষক এক সংলাপে এসব কথা বলেন প্রকাশকরা। পুরান ঢাকার একটি রেস্তোরাঁয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শুরুতে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদ এবং সিনিয়র প্রকাশক আলমগীর রহমানের মৃত্যুতে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
ইউপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহরুখ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে সংলাপে অংশ নেন কাকলি প্রকাশনীর সেলিম আহমেদ, ঐতিহ্যের আরিফুর রহমান নাঈম, সূচীপত্রের সাঈদ বারী, আদর্শের মাহাবুব রাহমান, আবিষ্কারের দেলোয়ার হাসান, বাতিঘরের দীপঙ্কর দাস, এডনের জাকির হোসেন, ভাষাচিত্রের খন্দকার সোহেল, উৎসর সেলিম আহমেদ, সৃজনীর মশিউর রহমানসহ ২৩ প্রকাশক প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে অনন্যার মনিরুল হক, অনুপমের মিলন নাথ, সংবেদের পারভেজ হোসেন, হাসি প্রকাশনীর হেলাল উদ্দিনসহ ১১০ প্রকাশক উপস্থিত ছিলেন। দেশে সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ১৭০টি।