পলিথিন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীরা তদারকিতে থাকবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীরা পলিথিন ব্যবহার বন্ধে উদ্বুদ্ধ করার কাজ করবে। এ ছাড়া বিভিন্ন সুপারশপে গিয়ে প্রাথমিকভাবে মনিটর করবে।’
গতকাল রবিবার নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগের বিকল্প পণ্যসামগ্রী নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘আগামী ১ অক্টোবর থেকে শপিং মলগুলোতে এবং ১ নভেম্বর থেকে কাঁচাবাজারে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার বন্ধে সরকার অভিযান পরিচালনা করবে। নিজ দায়িত্বে সবাইকে পলিথিন পরিহার করতে হবে।’
আইন অনুযায়ী পলিথিন বর্জনের কার্যক্রম ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান পরিবেশ উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘শপিং সেন্টার ও দোকান মালিকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই কার্যক্রম চলছে। আগামী প্রজন্মকে রক্ষার জন্য পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।’
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিকভাবেই পলিথিনের ক্ষতির মাত্রা প্রমাণিত। পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাট, কাপড় ও কাগজ ব্যবহার করা যেতে পারে।
এর আগে পরিবেশ উপদেষ্টা নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগের বিকল্প পণ্যসামগ্রীর মেলা উদ্বোধন করেন এবং ২৪টি স্টল ঘুরে দেখেন। মেলায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোক্তারা পরিবেশবান্ধব পণ্য প্রদর্শন করেন। এতে পুনঃব্যবহারযোগ্য ব্যাগ, পাটের ব্যাগ, কাগজের ব্যাগ, বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্য প্রদর্শিত হয়।
সেমিনারে বক্তব্য দেন পরিবেশ সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদ, পরিচালক রাজিনারা বেগম, দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এসডো মহাসচিব ড. শাহরিয়ার হোসেন, বিইউপির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আরিফুর রহমান ভূঁইয়া প্রমুখ।