রান্নাঘরে সাশ্রয়ী নানা কৌশল

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়েছে। এ সময় একটু সচেতন ও বুদ্ধি করে চললে সহজেই সংসারের অনেক খরচ কমাতে পারবেন।

 যেসব জিনিস নষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো, বিশেষত খাবার জিনিস, অতিরিক্ত পরিমাণে কিনে রাখবেন না। বেশিরভাগ সবজিরই খোসা ব্যবহারযোগ্য এবং তাতে ফাইবার থাকায় স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভালো। সেগুলো ব্যবহার করে ফেলার চেষ্টা করুন।

 রান্নার পর কড়াইতে তেল থেকে গেলে তাতে পরোটা বা অন্য খাবার গরম করতে পারেন। এতে অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করে ফেলতে পারবেন।

 প্যাকেজড খাবার এক্সপায়ার করে গেলেই তা ফেলে দেবেন না। সাধারণত এই জাতীয় খাবার এক্সপায়ার করে গেলেও প্রায় সপ্তাহখানেক গ্রহণযোগ্য অবস্থায় থাকে। তবে চেষ্টা করুন, এক্সপায়ার করার আগেই খেয়ে নিতে।

 একাধিক উপকরণ একসঙ্গে না মিশিয়ে রান্নায় একটি প্রধান উপকরণ রাখার চেষ্টা করুন। কম মসলা এবং তেলের ব্যবহার ও সেদ্ধ বা ভাপানো খাবার খেতে পারেন। প্রতিদিন সম্ভব না হলে, অন্তত সপ্তাহে একদিন এই নিয়ম মেনে চলুন।

 প্রসেসড, আর্টিফিশিয়াল খাবার যথা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

 এখন রান্নাঘরের জন্য অত্যাধুনিক গ্যাজেটস এবং টুলস পাওয়া যায়। সবই যে দরকার, তা কিন্তু নয়। চোখ বুঁজে সব কিনতে যাবেন না। আয় ও প্রয়োজন বুঝে কিনুন।

 ব্যবহার করবেন না বা কাজে লাগছে না, এমন বাসন, কৌটা রান্নাঘরে রেখে বোঝা বাড়াবেন না। যেহেতু এগুলো খাওয়া-দাওয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, তাই নিয়মিত পরিষ্কার করা জরুরি। কাজেই যা লাগবে না, তা অন্য কাজে ব্যবহার করুন বা কাউকে দিয়ে দিন।

 মসলাপাতি বহুদিন রেখে দিতে চাইলে তা ফ্রিজে স্টোর করুন। বাইরে রাখলে তার স্বাদ, গন্ধ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

 চায়ের ফোটানো পাতা, ডিমের খোসা বা অন্যান্য সবজির খোসা ফেলে না দিয়ে সার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। হাঁসের ডিমের খোসা গুঁড়া করে ক্যালসিয়ামের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।