গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেছেন, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির ক্ষমতা হতে হবে সীমিত। অথচ উল্টো সব ক্ষমতা দেয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর হাতে। জনগণের ক্ষমতা হচ্ছে ভোট, বারবার ভোটের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি জনগণের অধীনে থাকবে সেই ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
শুক্রবার ( ৪ অক্টোবর) রাতে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র নির্মাণ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠায় আয়োজিত গণসংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। জেলা সমন্বয়ক তরিকুল সুজনের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী সমন্বয়ক অঞ্জন দাসের সঞ্চালনায় সংলাপে অংশ নেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যাতে কেউ আগামীতে গণতন্ত্রের নামে ফ্যাসিবাদ, মাফিয়াতন্ত্র কায়েম করতে না পারে। তার জন্য প্রথম শর্ত হচ্ছে ক্ষমতার ভারসাম্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য থাকতে হবে। দেশের স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। বিচার বিভাগ হতে হবে স্বাধীন।’
তিনি বলেন, ‘সরকার গঠন আর বাজেট ব্যাতীত সমস্ত ক্ষেত্রে ৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করতে হবে। সরকার, সংসদ, বিচার বিভাগের মধ্যে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।’
গণসংলাপে বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়ক আবুল হাসান রুবেল, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার হোসেন আনু, খেলাফত মজলিসের মহানগর সেক্রেটারি ইলিয়াস হোসাইন, জেএসডির মহানগর সভাপতি মোতালেব মাস্টার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সেক্রেটারি মাহমুদ হোসেন।