মানিকগঞ্জের সিংগাইরে শাশুড়ি হায়াতুন নেছাকে (৬৫) শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ সিন্দুকে রাখার অভিযোগ উঠেছে পুত্রবধূর বিরুদ্ধে। রবিবার (৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে সিংগাইর পৌর এলাকার নয়াডাঙ্গী নিহতের নিজ বাড়ির শয়নকক্ষের সিন্দুকের ভিতর থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত হায়াতুন নেছা ওই মহল্লার মাহামুদ কাজীর স্ত্রী ও এক সন্তানের জননী। এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ছেলের বউ রুনা বেগম (২৫) ও তার মাকে (ছেলের শাশুড়ি) স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পৌর এলাকার নয়াডাঙ্গী গ্রামের প্রবাসী আব্দুল খালেকের মা ও বউ দুজনে নিজ বাড়ির একতলা বিল্ডিংয়ে বসবাস করতেন। মাঝে-মধ্যে ছেলের বউ রুনা বেগম শাশুড়িকে না বলে বাড়ির বাইরে ঘুরতে যেতেন। এ নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় দুজনের মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে পুত্রবধূ তার শাশুড়িকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
পরে নিহতের লাশ তার শয়নকক্ষে সিন্দুকের মধ্যে রাখেন। এদিকে বউ রবিবার সকালে বাড়ি থেকে উপজেলা ধল্লা এলাকার নানীর বাড়ি চলে যান। বাড়ি ফাঁকা থাকায় কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে আত্মীয়-স্বজন হায়াতুন নেছাকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। পরে সন্ধ্যার দিকে বউ তার মাকে নিয়ে বাড়িতে ফিরলে আত্মীয়-স্বজনদের জিজ্ঞাসার এক পর্যায়ে সিন্দুকের ভেতর লাশ লুকানো আছে বলে অভিযুক্ত রুনা বেগম স্বীকার করেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে সিংগাইর থানার ওসি মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সাথে জড়িত ছেলের বউ রুনা ও তার মাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।