স্থপতি এনামুল করিম নির্ঝর
সিস্টেম আর্কিটেক্টের প্রতিষ্ঠাতা
পাহাড় ও সাগরের সম্মিলনে গড়ে ওঠা চট্টগ্রামে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ধারার স্থাপত্য বৈচিত্র্যের ভবন গড়ে ওঠার সুযোগ ছিল বা এখনো রয়েছে। সাগর থেকে আসা বাতাসের গতিপথ এবং পাহাড়ের ঢালকে ব্যবহার করেও নতুন নতুন নকশার ভবন নির্মাণের সুযোগ রয়েছে চট্টগ্রামে। তবে এজন্য চট্টগ্রামের বিত্তশালীদের বা ভবন মালিকদের প্রতি বর্গফুট কনসেপ্ট থেকে বের হয়ে উদার হতে হবে। এখনো চট্টগ্রামে নান্দনিক স্থাপত্যের ভবন নির্মাণের সুযোগ রয়েছে।
চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ হোটেলের লবি, সানমার ওশান সিটিসহ অনেক ভবনের নকশা আমি করেছিলাম। কিন্তু শুরুটা ভালো হলেও পরে চট্টগ্রামে আর ধারাবাহিকতা রক্ষা করা যায়নি। ভালো নকশার ও স্থাপত্যের গুরুত্ব মানুষকে বুঝতে হবে। আর্কিটেক্ট আর বিল্ডিং এক নয়। তাই প্রকৃতির সুবিধা কাজে লাগিয়ে মানুষের পছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে ভবনের নকশা করতে হবে। একই সঙ্গে ভবনের ভেতরের আলো-বাতাসকেও প্রাধান্য দিয়ে একজন স্থপতি ডিজাইন করে থাকে। ভালো নকশার ভবনের ভ্যালু স্বাভাবিকভাবেই বেশি হবে। আর বেশি দাম দিয়েই মানুষ অ্যাপার্টমেন্ট কিনবে। চট্টগ্রামে আইকনিক ভবন হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তোলা যেতে পারে। এ ছাড়া ভালো স্থাপত্যের জাদুঘর ভবন কিংবা বিভিন্ন শিল্প গ্রুপ তাদের কোম্পানির অফিস বিল্ডিং বানাতে পারে।