নেত্রকোণার কংস ও সোমেশ্বরীর পানি কমলেও উব্দাখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল ৯টায় কংস নদের পানি বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উব্দাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গতকাল রবিবার (৬ অক্টোবর) কংস নদের পানি বিপৎসীমার ৫১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় কংস নদে ৪৩ সেন্টিমিটার পানি কমলেও, উব্দাখালী নদীতে ৯ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ দিকে জেলার পূর্বধলা ও দুর্গাপুর উপজেলার পানি কমলেও, বাড়ছে কলমাকান্দা ও সদর উপজেলার কয়েকটি গ্রামে।
জেলায় বেশ কয়েকটি বাঁধে রবিবার রাতে ভাঙন সৃষ্টি হলেও জেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধ রক্ষার জন্যে কাজ করছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. নুরুজ্জামান জানান, রবিবার পর্যন্ত জেলায় মোট ১২ হাজার ২২৪ হেক্টর কৃষি জমি প্লাবিত হয়েছে। সোমবার নতুন করে আরো জমি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জেলার চার উপজেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। তবে পানি কমতে শুরু করায় দূর্গাপুর ও পূর্বধলায় পানিবন্দির সংখ্যা কমছে। বাড়ছে কলমাকান্দা ও সদর উপজেলায়।
নেত্রকোণার দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর মেজর জিসানুল হায়দার জানান, পূর্বধলায় সেনাবহিনীর ত্রাণ সহায়ত অব্যাহত রয়েছে। কিছু কিছু এলাকায় রান্না করা খাবার বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ইমদাদুল হক জানান, বন্যার কারণে ২০২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুর্গাপুর ৬২, পূর্বধলা ১১, কলমাকান্দা ১০৯ ও সদরে ২০টি।