কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গ্যারান্টি সহায়তার মাধ্যমে তারল্য সহায়তা পেয়ে গতি পেয়েছে বেসরকারি খাতের সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক। গ্রাহকদের পুরো টাকা না দিতে পারলেও ছোট ছোট পরিমাণ তৎক্ষণিক পরিশোধ করতে পারছে এখন। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার পতনের পর থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ৭৯৪ কোটি টাকা বকেয়া এবং খেলাপি ঋণ আদায় করেছে ব্যাংকটি। আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে এসআইবিএলের ওপর গ্রাহকের পূর্ণ আস্থা ফিরে আসবে বলে আশা করছেন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. সাদিক ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফোরকানউল্লাহ।
গতকাল সোমবার সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় ব্যাংকটি।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান জানান, ১৯৯৫ সালে যাত্রা শুরু করা এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠানটি দেশের প্রথম সারির ব্যাংকে পরিণত হয়েছে। কিন্তু সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক যখন সাফল্যের চূড়ার অভিমুখে এগিয়ে চলছিল দ্রুতগতিতে, ঠিক তখনই দুঃশাসন ও দুর্বৃত্তায়নের কবলে পড়ে প্রিয় এই ব্যাংক। ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ জোরপূর্বক দখল করে নেয় ব্যাংকটিকে। এস আলমের কবলে পড়ে ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গত আট বছরে ব্যাংকটির মজবুত অর্থনৈতিক ভিত্তি যেমন দুর্বল হয়েছে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যাংকের গ্রাহক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাই।
সাদিকুল ইসলাম বলেন, ইতিমধ্যে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্যারান্টির বিপরীতে চারটি ব্যাংক থেকে ৯০০ কোটি টাকার তারল্যের প্রতিশ্রুতি পেয়েছি এবং তন্মধ্যে ৪৫০ কোটি টাকা তারল্য পেয়েছি।