ছুটি কাটাতে পরিবার নিয়ে কুয়াকাটা গিয়েছিলেন শাওন মৃধা ও তার বন্ধু। সেখান থেকে গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের নাজিরপুরের হোগলা বুনিয়া ফেরার পথে শিশুসহ দুই পরিবারের আটজন নিহত হয়েছেন। বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে পিরোজপুর নাজিরপুর সড়কের নূরানী গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা এলাকায় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে শিশুসহ দুই পরিবারের আটজন নিহত হয়েছেন। বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে পিরোজপুর নাজিরপুর সড়কের নূরানী গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে দুজন পুরুষ, দুজন নারী ও চার শিশু রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া একটি মোবাইল ফোন থেকে নিহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহতরা হলেন- মোতালেব (৪৫), তার স্ত্রী সাবিনা আক্তার (৩০) তাদের মেয়ে মুক্তা (১২) ও ছেলে সোয়াইব (২)। তারা শেরপুর জেলার খোলআচার পাড়া এলাকার বাসিন্দা। নিহত মোতালেবের এক আত্মীয় মোবাইল ফোনে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়া অপর চারজন হলেন- শাওন মৃধা (৩২), তার স্ত্রী আমেনা বেগম (২২) ছেলে শাহাদাৎ (১০) ও আবদুল্লাহ (৩)। তারা পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার হোগলাবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা।
নিহত শাওনের খালাতো ভাই মুরাদ জানান, ছুটি কাটাতে শাওন ও তার বন্ধু পরিবার নিয়ে কুয়াকাটা গিয়েছিলেন। সেখান থেকে গ্রামের বাড়ি নাজিরপুরের হোগলা বুনিয়া ফেরার পথে রাত ২টার দিকে পিরোজপুর নাজিরপুর সড়কের নূরানী গেট এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেটকারটি খালে পড়ে যায়। স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত হাসান বলেন, বুধবার রাত ২টার দিকে একটি প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে গিয়ে গাড়িতে থাকা আটজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে গাড়িতে থাকা আব্দুল মোতালেব নামে একজনের জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে। সেই সূত্র ধরে অন্যদের ঠিকানা খোঁজা হচ্ছে। নিহত মোতালেব সেনাবাহিনীর সিভিল স্টাফ ছিলেন। নিহতদের মরদেহ পিরোজপুর সদর হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে। প্রাইভেটকারটি পটুয়াখালির কুয়াকাটা থেকে নাজিপুরের হোগলাবুনিয়ায় যাওয়ার কথা ছিল বলে নিহতের স্বজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।