বাফুফে নির্বাচনে মনোয়নয়নপত্র তুলেই প্রচারণায় নেমে গেছেন প্রার্থীরা। সাবেক ফুটবলার ও সংগঠকদের নিয়ে একটি ফুটবল উৎসবের মাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন সভাপতি পদে শক্তিশালী প্রার্থী তাবিথ আউয়াল।
রবিবার প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ফর্টিজ এফসি’র মাঠে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করের তাবিথ। এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন অনেক সাবেক ফুটবলার, সংগঠক, এবং বাফুফে নির্বাচনের বিভিন্ন প্রার্থী। ছোট মাঠে সাবেক ফুটবলাররা চারটি দলে ভাগ হয়ে খেলার মজা উপভোগ করেন। তাবিথ নিজেও লাল দলের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন এবং দশ-পনেরো মিনিটের ম্যাচে পুরোদমে অংশগ্রহণ করেন। তবে খেলার পাশাপাশি মূল আকর্ষণ ছিল ভোট চাওয়া, যা উপস্থিত সবাই জোরেশোরে করেছেন।
তাবিথ আউয়াল বলেন, 'গত নির্বাচনে আমি হেরেছিলাম, কিন্তু একজন খেলোয়াড় হিসেবে হার থেকে শিখে আবারও প্রস্তুতি নিয়েছি। এবারও আমি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি এবং আমার ফুটবলার ভাই-বোনদের সমর্থন চাইছি। আজ যারা এখানে উপস্থিত হয়েছেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। সামনে নির্বাচনে আপনাদের এই সমর্থন আবারও চাই।'
এই আয়োজনে সাবেক ফুটবলারদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আরমান মিয়া, যিনি তাবিথের প্রতি আস্থা রেখে বলেন, 'তাবিথ একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তি। তিনি দায়িত্ব পেলে দেশের ফুটবলে অবশ্যই পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেন।' এছাড়াও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলি তাবিথকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, 'তাবিথ ভাই সব সময় খেলোয়াড়দের জন্য সচেতন ছিলেন। তিনি সভাপতি হলে ফুটবলের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব হবে।'
এই প্রীতিম্যাচকে কেন্দ্র করে সাবেক ফুটবলারদের মধ্যে ভোট নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও কম হয়নি। বিশেষত, আর্থিক অনিয়মের কারণে ফিফা থেকে নিষিদ্ধ বাফুফের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগের উপস্থিতি নিয়ে ফুটবল মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সোহাগের সঙ্গে তাবিথের ছবিও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তবে তাবিথ এটিকে সামাজিক মিলন হিসেবে বর্ণনা করেন, 'আমি তো সামাজিক মানুষ। সোহাগও আজ অন্যদের মতো মাঠে এসেছিল। তাই ছবিও তুলেছে। আমি আর কী বলবো।'
তাবিথের এই আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক তারকা ফুটবলাররা, যেমন জসিমউদ্দিন জোসী, কায়সার হামিদ, বিপ্লব ভট্টাচার্য্য, সুজন, ছাইদ হাসান কানন, শফিকুল ইসলাম মানিক, সৈয়দ রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির, এবং ইমতিয়াজ আহমেদ নকীব।