ফারিণের রহস্য

এই সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। কদিন আগেই তিনি আলোচনায় ছিলেন ভারতের অভিনেতা দেবের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে যাচ্ছেন এমন খবরে। কিন্তু সেই খবর ফিকে হয়ে গেছে। জানা গিয়েছিল ভিসা জটিলতার কারণে ছবিটি ছেড়ে দিতে হয়েছিল তাকে। হ্যাঁ বিষয়টি আফসোসেরই বটে। এ বিষয়ে দেশ রূপান্তরকে গতকাল তাসনিয়া ফারিণ বললেন, ‘আসলে ভারতের দুটি সিনেমায় কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কাজ দুটো আমাকে ছেড়ে দিতে হয়েছে।’ এর নেপথ্যে কারণ যে ভিসা জটিলতা সেটাও নিশ্চিত করলেন। বললেন, ‘এটা সত্য যে আমার ভারতের ভিসা ছিল না, আর এই ভিসার কারণেই আমাকে ছবি দুটি ছেড়ে দিতে হয়েছে।’

তাসনিয়া ফারিণের সঙ্গে যখন কাল বিকেলে কথা হয়, তখন তিনি ছিলেন শুটিংয়ে। প্রচণ্ড ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের হালনাগাদ খবর দিলেন। সময়ের এই সুপরিচিত মুখ বললেন, ‘শুটিং করছি। তবে এখন আর নতুন কোনো সিনেমায় কাজ করছি না। ভারতের কোনো সিনেমাও আর হাতে নেই। এছাড়াও দেশের এই পরিস্থিতিতে নতুন কোনো সিনেমার সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা হয়নি। চলচ্চিত্রের নতুন কোনো কাজে যুক্ত হলে অবশ্যই আপনাদের জানাব। আর এখন যেটার শুটিং করছি, সেটার কথা আপাতত বলা যাচ্ছে না। সময় হলেই বলব।’

এদিকে, নিজের চলচ্চিত্র, নাটক কিংবা ওটিটির কাজের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব তাসনিয়া ফারিণ। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের খবর সামাজিক মাধ্যমেও শেয়ার করেন। নিজের ঘুরে বেড়ানো, আড্ডা, ভালো সময় তিনি সামাজিক মাধ্যমে জানান দেন। ফলে ফারিণকে অনুসরণও করেন লাখ লাখ অনুসারী। শুক্রবার হঠাৎ করেই একটি পোস্ট দেন তাসনিয়া ফারিণ। এই পোস্টে তিনি এমনসব কথা লিখলেন তাতে করে অনেকেই অবাক। তাসনিয়া ফারিণ লিখলেন, ‘আমরা সব সময় শয়তানের ওপর সব দোষ চাপিয়ে বাঁচতে চাই। অথচ মানুষ কিন্তু শয়তানের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। দুর্ভাগ্যবশত অধিকাংশ মানুষ তার অসীম ক্ষমতা সম্পর্কে কোনো ধারণাই রাখে না। আর যারা রাখে তাদের ওপর শয়তান কখনো আছর করতে পারে না। আপনি কোন দলে?’ তার এই উপলব্ধি অবাক করে। এমন প্রশ্নেও আশ্চর্য হন ভক্তরা।

এই বিষয়ে কাল দেশ রূপান্তরের কাছে রহস্যভেদ করলেন। এই অভিনেত্রী বললেন, আরে এটিও আমার কথা নয়। আমার মুখের সংলাপ নয়। যেটা লিখেছি সেটা আমার চক্র ওয়েব ফিল্মের সংলাপ। এটি আইস্ক্রিনে সম্প্রচারিত হচ্ছে। সেখান থেকেই লিখেছি। সিরিজটিতে ফারিণ ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন তৌসিফ মাহবুব। এছাড়াও রয়েছেন শাহেদ আলী, মারশিয়া শাওন, এ কে আজাদ সেতু, মাসুদুল মাহমুদ রোহান প্রমুখ।