এখনও সবজি-মাছ-মাংসে অস্বস্তি

ডিম, কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজে স্বস্তির আভাস মিললেও আগের মতো বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সবজি, মাছ, মাংস ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য।

গতকাল বুধবার রাজধানীর কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কাঁচা মরিচ ছাড়া মাছ, চাল, আলু ও সবজিসহ অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের দামে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। চড়া দামে সব ধরনের সবজি বিক্রি হচ্ছে। গতকালও খুচরায় প্রতি কেজি ঢেঁড়স ১০০ টাকা, গোল বেগুন ২০০-২২০ টাকা, লম্বা বেগুন ১৩০-১৪০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, ঝিঙে-ধুন্দল ১২০ টাকা, বরবটি ১৪০ টাকা এবং শসা বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি দরে। যদিও পাইকারি বাজারে এসব সবজির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

কারওয়ান বাজার ক্ষুদ্র আড়তদার সমিতির সভাপতি এ টি এম ফারুক দেশ রূপান্তরকে বলেন, বাজারে এখন যেসব সবজির দাম চড়া তার অধিকাংশের এখন সিজন নেই। তাছাড়া কিছুদিন আগেই টানা বন্যা গেল। এতে অনেক ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া কৃষকের পর আড়তদারদের হাতে সবজি আসার আগ পর্যন্ত আরও তিন হাত ঘুরে। মূলত তাদের হাতেই সবজির দাম বেড়ে যায়। তবে আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সবজির সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক হবে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন দেশ রূপান্তরকে বলেন, বাজারে ভোগ্যপণ্যের দাম নিয়ে অনেক ব্যবসায়ীকে বন্যার অজুহাত দিতে দেখা যায়। তার বলছেন, বন্যার জন্য অনেক জেলা তলিয়ে গেছে এবং সেখানে ফসলের বড় ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু ঢাকার বাজারে আসা সবজিগুলো যেসব জেলায় উৎপাদন হচ্ছে, সেখানে এবার কোনো বন্যা হয়নি। অতি মুনাফা করার জন্য ব্যবসায়ীরা কেবল অজুহাত দিচ্ছেন। প্রকৃতপক্ষে আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের এটাই স্বভাব।