‘চড়া মূল্য দেবে হিজবুল্লাহ’ বাড়িতে ড্রোন হামলার পর নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, তাকে হত্যার চেষ্টা করার জন্য হিজবুল্লাহকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে।

হিজবুল্লাহ নেতা সিনওয়ারের মৃত্যুর পর সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তাদের লড়াই আরো তীব্র হবে। এরপর গত শনিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে ড্রোনের মাধ্যমে আক্রমণের চেষ্টা হয়।

নেতানিয়াহু সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, হিজবুল্লাহ তাকে ও তার স্ত্রীকে হত্যার চেষ্টা করে বড় ভুল করল। তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে।

রবিবারও বৈরুতে হামলা করেছে ইসরায়েল। আল-কার্দ আল হাসান সংস্থাকে তারা টার্গেট করে বলে লেবাননের সরকারি মিডিয়া জানিয়েছে। এই সংস্থা হিজুবুল্লাহকে আর্থিক সাহায্য করে বলে ইসরায়েল অভিযোগ করেছে। হামাস পরিচালিত সরকারি মিডিয়াও অভিযোগ করেছে, উত্তর গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

লেবাননে হামলা

লেবাননের সরকারি বার্তা সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, দক্ষিণ বৈরুতে আল-কার্দ আল-হাসান সংস্থার একাধিক অফিস লক্ষ্য করে হামলা করেছে ইসরায়েল। পূর্ব লেবাননে হারমেল ও বেক্কা উপত্যকাতেও ইসরায়েল হামলা করেছে। ওই আর্থিক সংস্থার একটি সাবেক অফিসে বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। খবর ডয়চে ভেলের।

এই হামলা করার আগে ইসরায়েলের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়, বৈরুতে নির্দিষ্ট কিছু বাড়ি যেন খালি করে চলে যান আবাসিকরা। বেক্কা উপত্যকা ও দক্ষিণ লেবাননে নিয়েও একই কথা বলা হয়। আল-কার্দ আল হাসান সুদ ছাড়া ঋণ দেয় এবং ব্যাংক হিসেবে কাজ করে, যদিও তারা ব্যাংক হিসেবে নথিভুক্ত সংস্থা নয়।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই আর্থিক সংস্থাটি হিজবুল্লাহর আর্থিক নেটওয়ার্কের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।

এদিকে দক্ষিণ লেবাননে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ওয়াচ টাওয়ার ও একটি বেড়া ইসরায়েলের সেনা ধ্বংস করেছে বলে ইউএনআইএফআইএলের তরফ থেকে অভিয়োগ করা হয়েছে।

রবিবার তারা একটি বিবৃতি দিয়ে একথা জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা আবার ইসরায়েলি সেনাকে মনে করিয়ে দিতে চাই, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীর নিরাপত্তা বজায় রাখা তাদের দায়িত্ব। জাতিসংঘের সম্পদ ও কর্মীদের কোনো সময়ে কোনো পরিস্থিতিতে ক্ষতি করা যায় না। শান্তিরক্ষী বাহিনী তাদের কাজ করে যাবেন বলেও জানানো হয়েছে।