চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাটে ‘গুলজার’ নামের একটি আবাসিক হোটেলের টয়লেট থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক নারীর লাশ উদ্ধার ঘটনায় ‘স্বামী’ পরিচয় দেওয়া সেই ফরহাদকে খুঁজছে পুলিশ। পাশাপাশি এই ফরহাদ ওই নারীর স্বামী কিনা তা-ও নিশ্চিত হতে চায় পুলিশ। এদিকে এ ঘটনায় চান্দগাঁও থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে আজ সোমবার দুপুরে জানিয়েছেন ওসি আফতাব আহমেদ।
ওসি জানান, নিহত নারীর গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জে। আজ সোমবারের মধ্যে মামলা দায়ের করতে ঝিনুক ওরফে লিপি (৪০) নামে নিহত ওই নারীর পরিবার নোয়াখালী থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। তারা আজ বিকেলের মধ্যে চট্টগ্রাম পৌঁছানোর পর তাদের সেই ফরহাদের ছবি দেখানো হবে। স্বামী পরিচয় দিয়ে হোটেলে উঠা ফরহাদ ওই নারীর স্বামী কিনা তা তার পরিবার থেকে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
চান্দগাঁও থানার ওসি (তদন্ত) সবেদ আলী জানান, নিহত নারী বিবাহিত ছিলেন। এক ছেলে ও এক মেয়ের মা। নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানা এলাকায় থাকতেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে গুলজার নামে আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষের টয়লেট থেকে ঝিনুকের লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এই নারীকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা আবাসিক হোটেলটিতে উঠেন। পরে যেকোনো সময়ে ওই নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যান ফরহাদ। রবিবার রাতের দিকে হোটেল কর্তৃপক্ষ রুমের টয়লেটে ওই নারীর মরদেহ হাত-পা বাঁধা অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। পরে লাশের সুরতহাল শেষে অভিযুক্ত ফরহাদকে ধরতে অভিযানে নামে পুলিশ। তবে দুই দিনে ধরা পড়েনি ফরহাদ।