রাওয়ালপিন্ডিতে চলছে পাকিস্তান-ইংল্যান্ড সিরিজের তৃতীয় টেস্ট। দুই দিন যেতে না যেতেই জমে উঠেছে খেলা। এই ম্যাচে ফিল্ড আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। কিন্তু এই দিনেই তার বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত রিভিউয়ে বদলে গেছে। অন্য ফিল্ড আম্পায়ারের ক্ষেত্রে চিত্রটা পুরোপুরি ভিন্ন।
ম্যাচের প্রথম দুই দিনে সৈকতের পাঁচটি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। এর মাঝে চারবারই তারা সফল হয়েছে। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের দ্বাদশ ওভারে বেন ডাকেটকে আউট দিয়েছেন সৈকত। রিভিউ নিয়েও সেটি বদলাতে পারেননি বোলার নোমান আলী। কিন্তু পরের চারটি রিভিউয়ের সবকটিতেই জিতেছে পাকিস্তান।
স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংসেই সৈকতের তিনটি সিদ্ধান্ত রিভিউয়ে বদলে যায়। সাইম আইয়ুব, সৌদ শাকিল এবং নোমান আলীকে তিনি আউট দিয়েছিলেন। তিনটি সিদ্ধান্তই রিভিউয়ে বদলে গেছে। আজ ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে বেন ডাকেটের বিপক্ষে এলবিডাব্লিউয়ের আবেদনে সাড়া দেননি সৈকত। সাথে সাথে রিভিউ নিয়ে জয়ী হয় পাকিস্তান।
ম্যাচের অন্য ফিল্ড আম্পায়ার ক্রিস গ্যাফিনির চিত্রটা ঠিক উল্টো। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের দুই দিনে তার ৯টি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছে উভয় দল। কিন্তু একটাতেও তারা জয়ী হতে পারেনি! পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে, গ্যাফিনি কতটা নিখুঁত সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন। তবে নিখুঁত সিদ্ধান্তের জন্য সৈকতেরও সুনাম আছে। তবে কি তিনি ‘ফর্মহীনতা’য় ভূগছেন?