রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সামনের রাস্তায় কয়েকজন পথচারীকে চাপা দিয়েছে একটি প্রাইভেট কার। এ ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজন শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন ফজলে রাব্বি, মামুনুর রশিদ ও নূর আলম। তিনজনই একটি বাহিনীর নিয়োগ পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন।
বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুস্তাফিজুর রহমান গতকাল গতকাল সন্ধ্যায় দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘তারা (আহতরা) পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেখান থেকে থানায় এসে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা।’
ইতিমধ্যে এ দুর্ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, তৃতীয় টার্মিনালের সামনের রাস্তা দিয়ে একদল শিক্ষার্থী হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় পেছন থেকে সাদা রঙের একটি প্রাইভেট কার এসে তাদের চাপা দেয়। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী রাস্তায় পঙে যান। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করেন।
বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। এ ঘটনায় তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনের পা ভেঙে গেছে আর একজন মাথায় সামান্য ব্যথা পেয়েছেন।
ঘটনাস্থল থেকে প্রাইভেট কারটি উদ্ধার করা হয়েছে। বিমানবন্দর থানা-পুলিশ জানিয়েছে, মোস্তাফিজুর রহমান নামে একজন প্রাইভেট কারটি চালাচ্ছিলেন। তিনিই গাড়িটির মালিক। তাকেও আটক করা হয়েছে। তার দাবি, প্রাইভেট কারটির সামনের চাকা ফেটে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারানোয় এ ঘটনা ঘটে।
কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ২ : রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মাতুয়াইলে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় রিকশা আরোহী ব্যাংক কর্মকর্তা দিদার এলাহী (৩৪) ও অজ্ঞাতপরিচয় রিকশাচালক নিহত হয়েছেন। নিহত এলাহী এসবিএসি ব্যাংকের প্রধান শাখায় অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে রিকশাচালকের পরিচয় জানা যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ৪৫ বছর। গতকাল রবিবার সকাল ৬টার দিকে মাতুয়াইল মা ও শিশু হাসপাতালের সামনের রাস্তায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মরদেহ দুটি উদ্ধারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
যাত্রাবাড়ী থানার ওসি ফারুক আহমেদ বলেন, রিকশায় ব্যাংকার এলাহী মাতুয়াইল মেডিকেল রোড দিয়ে যাওয়ার সময় একটি কাভার্ড ভ্যান রিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে দুজন মারা যান। ঘটনার পর কাভার্ড ভ্যানটি রেখে এর চালক পালিয়ে গেছে।
নিহত দিদারের চাচাতো ভাই আহসান হাবীব জানান, তাদের বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার পাইকা গ্রামে। স্ত্রী সুমনা আক্তার ও দেড় মাস বয়সী মেয়েসহ পরিবার নিয়ে থাকতেন যাত্রাবাড়ী মাতুয়াইল মেডিকেল মোড় এলাকায়।