ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি জাদুঘর ঘোষণা করা গণভবন পরিদর্শনে গিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ।
সোমবার গণভবন থেকে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন আসিফ মাহমুদ। তার সঙ্গে ছবিতে নাহিদ ইসলাম ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে আসিফ লিখেছেন, ‘এক দুপুরে, হাসিনার পুকুরে...।’ ওই ক্যাপশনের নিচে বিশেষভাবে লিখেছেন, ‘বি. দ্র. : বড়শি না থাকায় মাছ ধরতে পারিনি।’
ছবিটির এই ক্যাপশন ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড' হিসেবে পরিচিত এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমের দেওয়া বলে কমেন্ট বক্সে জানিয়েছেন আসিফ।
৫ আগস্ট শেখ হাসিনা গণভবন থেকে পালিয়ে ভারত চলে যান। এদিন আন্দোলনকারীরা ভবনে প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এক মাস পর ৫ সেপ্টেম্বর গণভবনকে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি জাদুঘর করার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।
এরই অংশ হিসেবে সোমবার গণভবন পরিদর্শনে যান। ধ্বংসাবশেষ পরিদর্শনকালে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, "এই জাদুঘরে শেখ হাসিনার দুঃশাসনের স্মৃতি এবং জনগণ যখন তাকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার পর যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল সেটা সংরক্ষণে রাখা।"
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, আয়নাঘর যেখানে হাসিনার কুখ্যাত নিরাপত্তা সংস্থাগুলো গোপনে শত শত ভিন্নমতাবলম্বী ও বিরোধী কর্মীকে আটক করেছিল তার একটি রেপ্লিকাও গণভবনের জাদুঘরে নির্মাণ করা উচিত।
এ সময় নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া হাসিনা শাসনের অপকর্মগুলো জাদুঘরে যত্ন সহকারে সংরক্ষণ করা হবে।