বগুড়া

শিক্ষার্থীদের সিন্ডিকেট মুক্ত বাজারে ক্রেতাদের ভিড়

বগুড়া শিক্ষার্থীদের সিন্ডিকেট মুক্ত বাজারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে শহরের সাতমাথায় মুক্ত মঞ্চে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বগুড়া এই বাজার বসান।

শিক্ষার্থীদের দাবি, বগুড়ার বাজার গুলো থেকে প্রকারভেদে বিভিন্ন সবজি কেজিপ্রতি ৫ থেকে ২০ টাকা কমে বিক্রি করছেন তারা। জেলার মহাস্থান হাট ও পাইকারি মোকাম থেকে প্রায় ১৮ রকমের সবজি বিক্রি করছেন তারা।

জানা যায়, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে নিম্ন আয়ের মানুষরা সবজির দাম বেশি হওয়ায় কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। এমতাবস্থায় শিক্ষার্থীদের এমন আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ক্রেতা সাধারণ। সিন্ডিকেট মুক্ত বাজারে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন- মাহমুদুল, হাসান, ওহাব, চৈতি, সাকিব হাসান, জুনায়েদ, মোস্তফা তোফায়েল, সাকিব খান, শাহী সহ আরও বেশ কয়েকজন।

বগুড়ার বাজারগুলোতে খোজ নিয়ে জানা যায়, আলু বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেড়স ৫০ টাকা, ফুলকপি ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুর বই ৬০ টাকা,  বরবটি ৪০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, মরিচ ১২০ টাকা, পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১৪০ টাকা, করলা ৮০ টাকা,  মিষ্টিকুমড়া ৬০ টাকা, লাউ ৪০টাকা, সরিষা শাক ২০ টাকা, মুলা শাক ২০ টাকা, পুঁইশাক ৩০ টাকা, রসুন ২৮০ টাকা, জলপাই ৩০ টাকা।

এ দিকে মুক্ত মঞ্চে সিন্ডিকেট মুক্ত বাজারে এই সবজি গুলো বিক্রি হচ্ছে, আলু কেজি প্রতি ৫২ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, ঢেড়স ৪০ টাকা, ফুলকপি ৫৭ টাকা, পটল ৪০ টাকা, কচুর বই ৪০ টাকা, বরবটি ৩০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, মরিচ ১১০ টাকা, পেঁয়াজ ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা,  মিষ্টিকুমড়া প্রতিপিস ৩৭ টাকা, লাউ ২৫ টাকা, রসুন ২৫০ টাকা, জলপাই ২৫ টাকা কেজি, সরিষা শাক, মুলা শাক, পুঁইশাক ১০ টাকা আঁটি।

সিন্ডিকেট মুক্ত বাজারে কিনতে আসা ক্রেতারা জানান, বাজারের তুলনায় এখানে কিছুটা কম পাচ্ছেন। অনেক সবজির দামতো খুবই কম। মিষ্টিকুমড়া বাজারে কেজি প্রতি কিনতে হয়। এখানে পিস হিসেবে কিনেছেন। এই বাজার ধারাবাহিকভাবে থাকলে বাজারের সিন্ডিকেট ভাঙা সহজ হবে বলে মনে করেন তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, বাজারের তুলনায় ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত সবজির দাম কম রয়েছে এখানে। সকালে মহাস্থান ও স্থানীয় পাইকারি বাজার থেকে ১৮ রকমের সবজি সংগ্রহ করেছেন তারা। প্রতিদিন এই বাজার বসবে সকাল থেকে। দাম সহনীয় পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তারা।