৭৩ শতাংশ বল নিয়ন্ত্রণ ম্যানসিটির পায়ে। গোলে শট ২০ বার। সেই দলকে ৪-১ গোলে হারিয়ে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে পর্তুগালের স্পোর্টিং সিপি। সিটির ম্যানচেস্রার নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানইউয়ের হবু কোচ রুবেন আমোরিমের বিশ্বাস, এই বিশাল জয়ের স্ক্রিপ্ট আগেই লেখছিল। এটি ছিল তার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যাওয়ার আগের ইঙ্গিত।
৩৯ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ কোচ তার শেষ ঘরের ম্যাচে অবিস্মরণীয় এক সন্ধ্যা কাটালেন। লিসবনের মাঠে সিটি এগিয়ে থাকলেও, ভিক্টর গিয়োকেরেস ৩৮ মিনিটে গোল করে সমতা আনেন। বিরতির পর স্পোর্টিং মাঠে ফেরে আরও আগ্রাসী হয়ে, কিক-অফ থেকেই গোল করেন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই আরও একটি গোল পায়। গিয়োকেরেস হ্যাটট্রিক পুরো করেন।
আমোরিম বলেন, “আমরা দ্বিতীয়ার্ধে কৌশলে কিছুটা পরিবর্তন করেছি। মাঝমাঠে আমাদের রক্ষণ আরও শক্তিশালী করেছি। তবে, ৩-১ হওয়া পর্যন্ত কোনো বড় পরিবর্তন হয়নি। কারণ, সেটি ছিল কিছু টানা পরিস্থিতির ফলাফল। ম্যানচেস্টার সিটি পেনাল্টি মিস করেছিল। এটি যেন এমনই হওয়ার কথা ছিল। এটি আগে থেকেই লেখা ছিল।”
খেলার আগে আমোরিম রসিকতা করে বলেছিলেন যে, এই ম্যাচে জিততে পারলে হয়তো তাকে ম্যান ইউনাইটেড সমর্থকরা “নতুন স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন” বলে অভিহিত করবেন। তবে তিনি পরে সেই বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন এবং আসন্ন মিডিয়া কাভারেজের জন্য তার পরিকল্পনা জানান।
আমোরিম বলেন, “এটা শুধু রসিকতা ছিল। আমি পরবর্তী ছয় মাস ধরে কোনো মিডিয়া পড়ব না। স্পোর্টিং-এর সময়ও আমি একই কাজ করেছিলাম। আমি কিছু পড়ব না বা কিছু জানার চেষ্টা করব না। এটাই আমার কাজ ভালোভাবে করার একমাত্র উপায়।”
আমোরিমের শেষ ম্যাচটি হবে রবিবার, যেখানে তার পুরনো দল ব্রাগার বিপক্ষে স্পোর্টিং মাঠে নামবে। এরপর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং তার প্রথম ম্যাচটি হবে ২৪ নভেম্বর ইপসউইচ টাউনের বিপক্ষে, পোর্টম্যান রোডে।