‘ভুল তথ্যে’ আমদানির শাস্তি শিথিল চায় বিটিএমএ

চলমান ব্যবসায়িক মন্দা ও বহুবিধ বিরূপ পরিস্থিতি বিবেচনায় কাস্টমস আইন যৌক্তিক করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। চলমান ব্যবসায়িক মন্দা ও নানান বিরূপ পরিস্থিতি বিবেচনায় কাস্টমস আইন ২০২৩ এর ৮২ ধারা বাতিল বা যৌক্তিক করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে বিটিএমএ।

কাস্টমস আইনে উপস্থাপিত যেকোনো দলিলের সত্যতা, প্রদেয় সব শুল্ক-কর প্রদান ও অন্যান্য চার্জের বিষয়ে বাধ্যবাধকতার কথা বলা আছে। ৮২ ধারায় সংঘটিত অপরাধগুলোর জন্য আইনের ১৭১ এর ১৯ ধারায় জরিমানা ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা থেকে অনধিক ২ লাখ টাকা পর্যন্ত আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি পণ্য বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে।

বিটিএমএর সেক্রেটারি জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাকির হোসেনের সই করা চিঠিটি সম্প্রতি এনবিআর চেয়ারম্যানকে দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, চলমান ব্যবসায়িক মন্দা সর্বোপরি বহুবিধ বিরূপ পরিস্থিতিতে সদস্য মিলগুলো যারা স্বল্প মুনাফা লাভ করে, তাদের পক্ষে ৮২ ধারা সংক্রান্ত এই অনাকাক্সিক্ষত ব্যয়ভার বহন করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পণ্য আমদানি প্রক্রিয়ার সঙ্গে তিন বা ততোধিক পক্ষ সংশ্লিষ্ট, যারা প্রয়োজনীয় তথ্য অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে প্রদান করে থাকেন। তাদের এ কার্যক্রমের ওপর আমদানিকারকের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করেও ইমপোর্ট জেনারেল মেন্যুফেস্টে (আইজিএম) ভুলের পরিমাণ শূন্য বা কাক্সিক্ষত মাত্রায় কমিয়ে আনা কোনোভাবেই সম্ভব হয়নি। কাজেই অন্য পক্ষের ভুলের বা পদ্ধতিগত জটিলতার দায় আমদানিকারকের ওপর বর্তানোর যৌক্তিকতা বিবেচনার দাবি রাখে।