আমাকে বিব্রত করতে ভুয়া পোস্ট ছড়ানো হচ্ছে

মধ্যরাতে হুট করেই শবনম ফারিয়ার নামে একটি স্ট্যাটাস ভাইরাল হয়ে পড়ে। যেখানে বলতে দেখা যায় যে চলমান শাসনামলে কী কী সমস্যা মোকাবিলা করছেন তিনি। নানা প্রতিবন্ধকতার কথাও তুলে ধরা হয় ওই পোস্টে। বলা হয়, হাসিনা সরকার দেশ পরিচালনার সময় অভিনেত্রীকে কোনো পোস্ট ডিলিট করতে হয়নি। কিন্তু আসলেই কি এই পোস্ট তিনি লিখেছেন? এ বিষয়ে শবনম ফারিয়া জানালেন তিনি বিব্রত এই ঘটনায়।

বুধবার সন্ধ্যায় দেশ রূপান্তরকে বললেন, আমাকে ঘটনাটি খুবই বিব্রত করছে। সকাল থেকে অজস্র ফোনকল আসছে, মেসেজ আসছে। সবাই জানতে চাচ্ছে, ওটা আমার লেখা পোস্ট কি না? সবাইকে একই কথা বলতে হচ্ছে যে ওটা আমার না।

তাকে একটি শ্রেণি বিব্রত করছে জানিয়ে শবনম ফারিয়া বলেন, আমাকে একটি শ্রেণি এই বিব্রতকর অবস্থায় ফেলছে। আমি সবসময় যা সত্য তাই বলি। কিন্তু কারও বিপক্ষে আমার মত গেলে এভাবে আক্রমণ শুরু হয়ে যাবে এটা খুবই অমানবিক। আমাকে আহত করছে ক্রমশ।

শুভাকাক্সক্ষীদের উদ্দেশে অভিনেত্রী বলেন, যারা আমার কাছের মানুষজন তারা ভালো করে পড়লেই বুঝতে পারবেন এটা আমার লেখা নয়। আমার লেখার ভাষা সম্পর্কে আমার ভক্তরাও জানেন। এটা আসলে আমাকে বিব্রত করার জন্য দেওয়া হয়েছে। তবে এসব করে কী হবে আমি ঠিক জানি না। ওই পোস্টে মেহজাবীনকে নিয়ে আমার একটা মন্তব্য দিয়েছে। আমি মেহজাবীনকে নিয়ে কেন ওই রকম মন্তব্য করব, আমার তো প্রয়োজন নেই।

শবনম ফারিয়ার নামে ফেসবুক পোস্টটি লিখে পোস্ট করা হয়েছে গভীর রাতে। এরপর ক্রমেই তা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে শবনম ফারিয়ার ফেসবুকে গিয়ে দেখেন এমন কিছুই লেখা নেই। তখন অনেকেই মন্তব্য করছিলেন শবনম ফারিয়া হয়তো পোস্টটি মুছে ফেলেছেন।

এ বিষয়ে শবনম ফারিয়া বলছেন, আমি  আমি গত তিন দিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত । আমি কোনো স্ট্যাটাস পোস্ট করিনি কোনো বিষয়ে। বিশেষভাবে রাজনীতি বিষয়ক! এই পোস্ট সম্পূর্ণ এডিটেড। এটার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।  আপনাদের অবস্থা এত খারাপ যে এখন এডিট করে অন্যদের নামে পোস্ট চালিয়ে নিজেদের কথা বলতে হচ্ছে। আমি এই পোস্ট দিয়েছি ভেবে যারা খুশি তারা প্লিজ খুশি হয়েন না । আবার লিখছে ১৫ বছরে নাকি কোনো পোস্ট ডিলিট করতে হয়নি! স্ট্যাটাস দেওয়ার ৫ মিনিটে কল চলে আসত, ‘আপা ডিলিট করেন, সমস্যা হবে’এমন কথা প্রসঙ্গে ফারিয়া বলেন, অন্যদের মতো তেল মারিনি দেখে কোনো সুযোগ-সুবিধাও পাইনি! আমার আলোও আসেনি।  আর এমন কোনো স্টেটমেন্ট দিলে সেটা রাখার সাহসও রাখি।