এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাই মানছেন না কোচিং বাণিজ্য নীতিমালা

দিনাজপুরের বিরামপুরে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষকরাই মানছেন না কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা। বিরামপুর শহরসহ যত্রতত্র অবাধে চলছে কোচিং বাণিজ্যের প্রচারণা। এতে জড়িত রয়েছেন বিভিন্ন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষকরা।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২’ এ বলা হয়েছে- সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনও শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার অধীনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরও উল্লেখ রয়েছে কোনো সরকারি সুবিধাভোগী শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তার এমপিও স্থগিত, বেতন-ভাতাদি স্থগিত, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত, বেতন এক ধাপ অবনমিতকরণ, সাময়িক বরখাস্ত, চূড়ান্ত বরখাস্ত ইত্যাদি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে।

সরেজমিন কয়েটি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন সহকারী শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকার তথ্য মিলেছে। তারা হলেন আবু সাঈদ স্যার, শরিফুল ইসলাম স্যার, বাদশা আলমগীর স্যার, শান্ত স্যার, আলমগীর কিবরিয়া স্যার, ওমর ফারুক স্যার, সারোয়ার জাহান উজ্জল স্যার, সাব্বির স্যার, সাহাদত স্যার, মোসলেম স্যার, জাহাঙ্গীর স্যার, মানিক স্যার, আলমগীর স্যার, মামুন স্যার, আলমাস স্যার, আহসান হাবিব স্যার, মমিনুল ইসলাম, সৈয়দ লুৎফর রহমান বাবু স্যার, মমিনুর রশিদ স্যার।

এ বিষয়ে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুজহাত তাসনিম আওনের কাছে জানতে চাইলে তিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শমসের আলী মণ্ডলকে তদন্ত করে নীতিমালা অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নিদের্শ দিয়েছেন বলে জানান।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শমসের আলী বলেন, নীতিমালার বাইরে কোনও শিক্ষক প্রাইভেট অথবা কোচিং বাণিজ্য করলে এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত করতে হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।