কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে প্রতারণার অভিযোগে নাজমুল হাসান রিয়াজ নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সোমবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় তাকে আটক করা হয়। কোতোয়ালী মডেল থানায় আজ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এজাহার থেকে জানা যায়, মামলার বাদী খোরশেদ আলম ২০১৮ সালে বরুড়া থানার মাদক মামলার আসামি ছিলেন। রিয়াজ নিজেকে আইনজীবীর সহকারী পরিচয় দিয়ে তার মামলা পরিচালনার দায়িত্ব নেন। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর খোরশেদ আলম নিয়মিত হাজিরা দিয়ে আসছিলেন।
রিয়াজ তাকে প্রস্তাব দেন ৭০ হাজার টাকা দিলে তাকে মাদক মামলা থেকে খালাস করে দেবেন। গত ২৫ অক্টোবর কুমিল্লা জর্জকোর্ট আইনজীবী ভবনের পুকুর পাড়ে ৭০ হাজার টাকা দেন খোরশেদ আলম। রিয়াজ ম্যাজিস্ট্রেটের সিল ও সই জাল করে একটি নথি দিয়ে জানান, খোরশেদ আলমকে আর কোর্টে আসতে হবে না, কোর্ট তাকে খালাস দিয়েছেন।
খালাসের নথি নিয়ে খোরশেদ আলম আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম এবং মামলার ১নং সাক্ষী মাহবুবুল আলম লিমনের কাছে গেলে তারা প্রতারক রিয়াজকে ডেকে আনেন। রিয়াজ অকপটে সব কিছু স্বীকার করেন।
আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য মাহবুবুল আলম লিমন বলেন, আদালত প্রাঙ্গণে সকল প্রকার জাল জালিয়াতির জন্য জিরো টলারেন্স রয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা অনেক প্রতারককে ধরতে সক্ষম হয়েছি।
এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার ওসি মহিনুল ইসলাম বলেন, বাদী নিজেই নাজমুল হাসান রিয়াজকে আটক করে আমাদের পুলিশ বাহিনীর কাছে সোপর্দ করে। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আমরা আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছি।