'চকোলেটের বাক্সে' ফিরছে আর্জেন্টিনা-পেরু ম্যাচ

আর্জেন্টিনার সঙ্গে পেরুর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের আরেকটি ম্যাচ ফিরছে বোকা জুনিয়র্সের মাঠ লা বোম্বেনেরায়। এস্তাদিও আলবার্তো জে. আরমান্দো- স্টেডিয়ামটির মূল নাম হলেও এর আকৃতি ও গড়নের জন্য ভক্তরা একে চেনে 'চকোলেটের বাক্স' অথাৎ লা বোম্বেনেরা নামে। 

স্টেডিয়ামটির চারপাশে রঙিন বাড়িঘর, রিকেলমে ও ম্যারাডোনার ম্যুরাল, আর ‘রিপাবলিকা দে লা বোকা’ প্রাঙ্গণ—সবই ফুটবল সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। ফুটপাতের গায়ে খোদাই করা কিংবদন্তিদের নাম এবং পাড়ার দেয়ালে আঁকা চিত্রকর্ম স্টেডিয়ামটিকে আলাদা মাত্রা দেয়।

এই স্টেডিয়ামটিতে অনেক স্মরণীয় ম্যাচ আছে আর্জেন্টিনার। তবে কিছু হতাশার স্মৃতি আছে। যাদের সঙ্গে আজকের ম্যাচ, সেই পেরুর সঙ্গে ড্র করাতেই ১৯৭০ এর বিশ্বকাপ মূলপর্বে খেলা হয়নি আর্জেন্টিনার। আবার ২০১৭ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচেও, আবার সেই পেরুর সঙ্গে গোলশূণ্য ড্র হয়েছিল মেসিদের ম্যাচ। 

আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক মুহূর্তগুলো

আর্জেন্টিনা ২-২ পেরু (১৯৬৯)
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে পেরুর সঙ্গে ড্র করে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ হারায় আর্জেন্টিনা। সেদিন লা বোম্বোনেরা ভক্তদের হতাশার সাক্ষী হয়।

১৯৬৯-এ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ পেরুর সঙ্গে ড্র করে আর্জেন্টিনা

আর্জেন্টিনা ৫-১ হাঙ্গেরি (১৯৭৭)
১৬ বছর বয়সী ডিয়েগো ম্যারাডোনা তার অসাধারণ প্রতিভার ঝলক দেখান। যদিও সেসময় তাকে ১৯৭৮ বিশ্বকাপ দলে রাখা হয়নি, এই ম্যাচটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

ডিয়েগো ম্যারাডোনার বিদায়ী ম্যাচ (২০১o)
ম্যারাডোনার বিদায়ী ম্যাচে লা বোম্বোনেরা একটি আবেগঘন রাতে রূপ নেয়। তার বিখ্যাত বক্তব্য, “এই স্টেডিয়াম ফুটবলের মন্দির। আমি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই বোকা সমর্থক হওয়ার জন্য।”

আর্জেন্টিনা ০-০ পেরু (২০১৭)
২০১৮ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের একটি টানটান উত্তেজনার ম্যাচে আর্জেন্টিনা লা বোম্বোনেরার সমর্থনেও জয়ের দেখা পায়নি। তবে লিওনেল মেসির অনবদ্য পারফরম্যান্সে তারা শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে।

২০১৭ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে পেরুর সঙ্গে আবার ড্র আর্জেন্টিনার

আর্জেন্টিনা ০-২ উরুগুয়ে (২০২৩)
সবশেষ ম্যাচে উরুগুয়ে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দেয়। দারউইন নুনেজের অসাধারণ গোল সেই রাতে লা বোম্বোনেরাকে স্তব্ধ করে দেয়।