মাত্র ১৮ বছর বয়সে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের প্রতিশ্রুতিশীল তারকা হিসেবে আলো ছড়িয়েছেন এনদ্রিক। বয়স ১৮ পূর্ণ হওয়ার আগেই তাকে পালমেইরাস থেকে কিনে নিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে অভিষেকের পর তার প্রতি প্রত্যাশার মাত্রা আরও বেড়েছে। তবে, রিয়াল মাদ্রিদের তারকায় ঠাসা আক্রমণভাগে টিকে থাকা এই তরুণ ফরোয়ার্ডের জন্য সহজ হচ্ছে না। মাদ্রিদে পা রাখার পর থেকে এ পর্যন্ত মাঠে তেমন একটা সময় পাননি তিনি।
চলতি মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে মাত্র ১২২ মিনিট মাঠে কাটিয়েছেন এনদ্রিক। এই সময়ের মধ্যে লা লিগা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে দুটি গোল করলেও, রিয়ালের আক্রমণভাগে নিজের জায়গা পাকা করতে পারেননি। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, কিলিয়ান এমবাপ্পে, রদ্রিগোর মতো তারকাদের পেছনে কোচ কার্লো আনচেলত্তির দলে প্রথম একাদশে জায়গা পাওয়ার সুযোগ প্রায় নেই বললেই চলে। শেষ কয়েকটি ম্যাচে তো বদলি খেলোয়াড় হিসেবেও মাঠে নামানো হয়নি তাকে।
এমন পরিস্থিতিতে শোনা যাচ্ছে, রিয়াল মাদ্রিদ এনদ্রিককে ধারে অন্য ক্লাবে পাঠানোর কথা ভাবছে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বেশ কয়েকটি ক্লাব তার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে। বিশেষ করে, রেলিগেশন এড়ানোর লড়াইয়ে থাকা সাউদাম্পটন এন্দরিককে দলে নেওয়ার চেষ্টা করছে। টটেনহ্যামও আগ্রহ দেখালেও সেখানেও প্রথম একাদশে তার জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা কম।
এছাড়া সিরি আ'র ক্লাব রোমা, যেখানে সদ্য ক্লদিও রানিয়েরিকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারাও এনদ্রিককে দলে নিতে আগ্রহী। লা লিগার ক্লাব রিয়াল ভায়াদোলিদও তাকে দলে ভেড়াতে চাইছে, যাতে তিনি স্প্যানিশ লিগেই খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।
এন্দরিক অবশ্য ধৈর্য ধরে রিয়াল মাদ্রিদে নিজের সুযোগের অপেক্ষা করতে চান। তার সঙ্গে ক্লাবের চুক্তি ২০৩০ সাল পর্যন্ত রয়েছে এবং তিনি আত্মবিশ্বাসী যে, একসময় তার সময় আসবেই। তবে স্বল্প মেয়াদে অন্য কোনো ক্লাবে ধারে গিয়ে খেলার মাধ্যমে নিজের উন্নতির সুযোগকেও একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না তিনি। মাঠে আরও বেশি সময় পেলে গোল করার দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করার সুযোগ পাবেন বলে মনে করেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।
এখন দেখার বিষয়, শীতকালীন দলবদলে রিয়াল তাকে ধারে অন্য ক্লাবে পাঠায় কি না এবং এন্দরিক নিজে কী সিদ্ধান্ত নেন।