তৈরি পোশাক শিল্পে ধীরে ধীরে নারী শ্রমিক কমে যাওয়া এ খাতের জন্য একটি বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে কয়েক বছর ধরে নারী শ্রমিকের সংখ্যা ক্রমাগত কমার এই প্রবণতা ঠেকাতে একটি নিরাপদ, নারীবান্ধব কাজের পরিবেশ তৈরি, শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, নির্দিষ্ট সময়ে ও ন্যায্য মজুরি প্রাপ্তি নিশ্চিত এবং উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান করা অপরিহার্য। এই পদক্ষেপগুলো একটি দক্ষ এবং অনুপ্রাণিত কর্মী বাহিনী বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত জরুরি, যা শুধুমাত্র পোশাক শিল্পের জন্যই নয়, দেশের ব্যাপক উন্নয়নের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
গতকাল শনিবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আলোচনা অনুষ্ঠানে ‘বুনন ২০৩০: বাংলাদেশের পোশাক খাতে মূল কার্যক্রম : গভীর পর্যবেক্ষণ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়। এটি উপস্থাপন করেন লাইটক্যাসল পার্টনার্স-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জাহেদুল আমিন।
ঢাকাভিত্তিক আন্তর্জাতিক বিজনেস কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান লাইটক্যাসল পার্টনার্স ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
আলোচনা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম. মাসরুর রিয়াজ। অপরাজিতা ও বুনন প্রকল্প নিয়ে সূচনা বক্তব্য দেন এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের পরিচালক আইনি ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। লাইটক্যাসল পার্টনার্স, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ও এশিয়া ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পর টেকসই জিএসপি প্লাস লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য কৌশল গ্রহণ সংক্রান্ত আরেকটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন মোহাম্মদ হাতেম।