সরকারি কর্মচারীদের (কর্মকর্তা ও কর্মচারী) সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার সময়সীমা এক মাস বাড়ানো হয়েছে। চলতি বছরের সম্পদ বিবরণী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে জমা দেওয়ার কথা
থাকলেও আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তা জমা দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মোখলেস উর রহমান।
গতকাল রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সময়সীমা বাড়ানোর এই ঘোষণা দেন তিনি। তবে আগামীতে প্রতি বছরই ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সম্পদের হিসাব দিতে হবে বলে জানান।
এর আগে প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে হিসাব বিবরণী দেওয়ার কথা থাকলেও এ বছর তা ৩০ নভেম্বরের মধ্যে দিতে বলেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
দুর্নীতির লাগাম টানতে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯, যা ২০০২-এ সংশোধনী এনে সরকারি কর্মচারীদের সম্পদ বিবরণী পাঁচ বছর পরপর দেওয়ার বিধান করা হয়। অন্তর্র্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ১ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করে সরকারি কর্মচারীদের সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এদিকে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় আরও এক মাস বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিতে পারবেন করদাতারা। রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন নির্ধারিত ছিল ৩০ নভেম্বর। ব্যবসায়ী ও করদাতাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সময় বৃদ্ধি করা হয়।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দুর্নীতি প্রতিরোধ ও আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা আনতে সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব জমা দিতে একটি ছক প্রকাশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সময় বেঁধে দিয়েছিল ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ে হিসাব বিবরণী জমা না দিলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন সচিব মো. মোখলেস উর রহমান।