কারও মৃত্যু হাসি-তামাশার বিষয় নয়: পরীমণি

সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ইসমাইল হোসেন জমাদ্দার চিত্রনায়িকা পরীমণির প্রথম স্বামী ছিলেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। কারও মৃত্যু নিয়ে হাসি-তামাশার বিষয় নয় বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী পরীমণি।

এর আগে ২০১২ সালের ২৮ এপ্রিল শামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে চিত্রনায়িকা পরীমণির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ইসমাইল হোসেন জমাদ্দারের। তিনি মঠবাড়িয়া উপজেলার মিরুখালী ইউনিয়নের ছোট শৌলা গ্রামের ব্যাংক কর্মকর্তা জাকির হোসেন জমাদ্দারের ছেলে ছিলেন। পরে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের ওপর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পরীমণি বলেন, ‘কারও মৃত্যু তো হাসি-তামাশার বিষয় নয়। ইসমাইলের মৃত্যু নিয়ে যে যেভাবে পারছেন, খবর প্রকাশ করেছেন। উৎসব উৎসব ভাব মনে হচ্ছে। এটা সত্যিই কষ্টদায়ক। এমনটা মোটেও আশা করিনি।

এ অভিনেত্রী বলেন, এবার বাড়িতে আসার পরই আমার মা (খালাকে মা বলে ডাকেন পরীমণি) বললেন— ও (ইসমাইল) তো বাইক অ্যাক্সিডেন্ট করছে। আমি বললাম— ‘কী!’ পরে বললেন— ‘ও তো মারা গেছে!’ এলাম নানুভাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে, এসে শুনি ইসমাইলের মৃত্যুর খবর—এটি মেনে নেওয়া যে কতটা কষ্টের, বলে বোঝাতে পারব না বলেও জানান পরীমণি।

মৃত মানুষের মুখ দেখতে না পারা উল্লেখ করে এ অভিনেত্রী বলেন, এ জীবনে একমাত্র নানুভাইয়ের মুখটাই শুধু দেখতে পেরেছি। আর কারোটা দেখা সম্ভব হয়নি। ইসমাইলেরও দেখা সম্ভব হয়নি। কবর জিয়ারত করেছি। সেই কবরস্থানে পাশাপাশি আমাদের পরিবারেরই অনেকগুলো কবর। সবচেয়ে নতুন কবর— ইসমাইলের। ওর বাবাসহ আমরা কবর জিয়ারতে গেছি। সবকিছু ছাপিয়ে সে তো আমার আত্মীয়। তাই তার সঙ্গে আমার সম্পর্কও তো সব সময়ের বলে জানান পরীমণি।