উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-আইইডি পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সমাজ-উন্নয়নকর্মী; বিশেষত সমাজের সক্রিয়জনদের মাধ্যমে গণতন্ত্রায়ন ও জনপরিবেশ সহায়ক সমাজ রূপান্তরের লক্ষ্যে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া নারীর ক্ষমতায়ন, জাতিগত-ধর্মীয় সংখ্যালঘু, পরিবেশ-প্রতিবেশের উন্নয়ন এবং সমাজে বৈষম্যহীনতা ও শান্তি-সম্প্রীতি রক্ষায় অনলাইনে ‘কুতথ্য’ প্রতিরোধেও প্রতিষ্ঠানটি কর্মএলাকায় সফল দৃষ্টান্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-আইইডি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব তথ্য জানান।
এতে সভাপতিত্ব করেন আইইডির সিনিয়র সমন্বয়কারী জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়। সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম উপস্থাপন করেন সিনিয়র সমন্বয়কারী মো. হামিদুজ্জামান।
এ সময় বক্তারা বলেন, ব্যক্তিপ্রতিষ্ঠানের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোগঠন পরিবর্তন, সৃজনশীল চিন্তা ও উন্নয়ন উদ্যোগসমূহকে জাতীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে সহায়তায় আইইডি কাজ করে যাচ্ছে।
বক্তব্য শুরুর আগে প্রতিষ্ঠানটি তাদের বিভিন্ন আর্থসামাজিক কার্যক্রমের বিষয়ে তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে নারী, দরিদ্র ও সমাজের পিছিয়ে পড়া নাগরিকদের জন্য রাষ্ট্রীয় সুবিধা নিশ্চিতকরণ; সমাজের নারী ও শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া আদিবাসী যুবদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য স্থানীয় বাজারে বিভিন্ন ওয়ার্কশপ; দোকানে রেখে সরাসরি হাতে-কলমে কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা; পারিবারিক আইন, ব্যক্তি ও পরিবারে আয় -ব্যয়ের হিসাব রাখা ও সঞ্চয় করা; সময় ব্যবস্থাপনা ইত্যাদির চর্চা; জলা-জঙ্গল-প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষা ইত্যাদি।