অনেক সময় দুধ জ্বাল দিতে গিয়ে ফেটে যায়। এই দুধ নিয়ে বাড়িতে নানা কিছু তৈরি করতে পারেন। কী করবেন জেনে নিন।
কেটে যাওয়া দুধ দিয়ে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলতে পারেন চিজ। চিজ তৈরি করা কিন্তু খুব সহজ। দুধ ছানা কাটতে শুরু করলে তার মধ্যে ভিনিগার মিশিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকুন। দেখবেন পানি আর চিজ আলাদা হয়ে গিয়েছে। চিজ গরম পানি থেকে তুলে নিয়ে লবণ পানিতে ভালো করে ধুয়ে নিন, যাতে ভিনিগারের টক ভাব কেটে যায়। এবার পানি থেকে তুলে নিয়ে সেলোফিন র্যাপে মুড়ে প্রায় তিন ঘণ্টা মতো ফ্রিজে রেখে দিলেই তৈরি হয়ে যাবে চিজ।
কেটে যাওয়া দুধ দিয়ে অনায়াসে তৈরি করতে পারেন ক্রিম। যা কি না সালাদ ড্রেসিংয়ে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে মাথায় রাখবেন দুধ জ্বাল দেওয়ার আগে ফেটে গেলে কেবল সেই দুধই ব্যবহার করা যাবে।
ফেটে যাওয়া দুধ থেকে তৈরি করতে পারেন কেক ও প্যানকেকও। কেক বেক করার সময় মাখন বা ডিমের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন কেটে যাওয়া দুধ। স্বাদ কিন্তু আরও বৃদ্ধি পাবে।
তবে শুধু খাবার তৈরিই নয়। গাছের চর্চাতেও ব্যবহার করা যেতে পারে দুধ। নষ্ট দুধ গাছের সার হিসেবে দারুণ কাজ করে। গাছের গোড়ায় দুধ দিলে গাছ দ্রুত বাড়তে থাকে।
কাঠের আসবাবপত্র পুরনো হয়ে গেলে, ফেটে যাওয়া দুধে কাপড় ভিজিয়ে আসবাবপত্র মুছে নিন। দেখবেন কাঠের আসবাব ঝকঝকে হয়ে উঠবে।
তবে শুধু গাছ, আসবাবপত্র নয়। রূপচর্চার ক্ষেত্রেও দারুণ কাজ দেয় ফেটে যাওয়া দুধ। ক্লিনজার হিসেবে দারুণ কাজ দেবে এই দুধ। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে দুধে তুলা ভিজিয়ে মুখ মুছে নিন। দেখবেন খুব জলদিই মুখের ত্বক ঝকঝকে হয়ে উঠবে। এমনকি, রোদে পোড়া ত্বকে সতেজতা ফেরাতেও দারুণ কাজ করবে এই দুধ।