২০২৪ ব্যালন ডি'অরের জন্য ফেবারিট ভাবা হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে। তবে ম্যানচেস্টার সিটি স্প্যানিশ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রদ্রি ব্যালন ডি'অর পুরস্কার পাওয়ায় অনুষ্ঠানই বর্জন করেছিল রিয়াল মাদ্রিদ।
ব্যালন ডি'অর অনুষ্ঠানের এক মাস পেরিয়ে গেলেও এটি নিয়ে এখনও আলোচনা-সমালোচনা চলছে। কদিন আগে রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ সমালোচনা করেছেন ভিনিকে ভোট না দেওয়া সংবাদিকদের, যারা তাকে শীর্ষ দশেই রাখেননি।
এবারের ব্যালন ডি'অরে বেশ কয়েকটি দেশের সাংবাদিকের ভোটই পাননি ভিনিসিয়ুস। যে কারণে লড়াইয়ে রদ্রির চেয়ে পিছিয়ে পড়েন তিনি। ভিনিকে ভোট দেয়নি সেই তালিকায় আছে নামিবিয়া, উগান্ডা, আলবেনিয়া এবং ফিনল্যান্ডের সাংবাদিক। এবার পেরেজকে কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছেন নামিবিয়ার সংবাদিক শিফেনি নিকোদেমুস।
পেরেজের উদ্দেশ্যে শিফেনি বলেন, 'আমি সন্দেহ করছি যে, এগুলো (পেরেজ যা বলেছেন) হতাশাগ্রস্ত কারও কথা। জনাব পেরেজ মনে করেছেন, আমার দেশের এবং উল্লেখিত অন্য দেশের অর্থপূর্ণ ভোট নেই। তার ধারণা, আমরা নিকৃষ্ট মানুষ। আমি শুধু জানতে চাই, আমি যদি ফুটবলের প্রধানতম দেশগুলো থেকে হতাম এবং তার মতামতের সাথে একমত না হতাম তাহলে তার যুক্তি কি হতো?'
চার দেশের সাংবাদিক যারা ভিনিকে ভোট দেননি তাদের নিয়ে পেরেজ বলেছিলেন, 'যদি নামিবিয়া, উগান্ডা, আলবেনিয়া এবং ফিনল্যান্ডের সাংবাদিকরা ভোট দিতে না পারতেন, ভিনিসিয়ুসের হয়ত ব্যালন ডি'অর থাকত। এই দেশগুলো ভিনিসিউসকে একটা ভোটও দেয়নি। ফিনল্যান্ডের (সাংবাদিক), তাও ক্ষমা চেয়ে জানিয়েছেন, আর কখনো বিচারকদের অংশ হবেন না।'
পেরেজ সঙ্গে যোগ করেন, 'আমরা জানি না কারা তাদের ভোট দিয়েছে, এমনসব দেশ থেকে যাদের আমরা চিনি না। এসব কারণেই রিয়াল মাদ্রিদ মনে করেছে যে ব্যালন ডি'অরের গালায় এ বছর উপস্থিত হওয়া যথার্থ হবে না।'