গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, পরকীয়া প্রেমিক গ্রেপ্তার

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলায় পরকীয়া প্রেমিক মাদ্রাসা শিক্ষক মাহদী হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) মধ্যরাতে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকার সভার এলাকা থেকে সিংগাইর থানা পুলিশের একটি তাকে গ্রেপ্তার করেন।

গ্রেপ্তার ৩১ বছরের মাহদী হাসান কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থানার কৌতেরকান্দি এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে। তিনি ঢাকার কামরাঙ্গীরচর রিয়াদ উল জান্নাত দারুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।

নিহত গৃহবধূ তানিয়া আক্তার সিংগাইরের বায়রা ইউনিয়নের বাড্ডা এলাকার সৌদি প্রবাসী ফাহাদ দেওয়ানের স্ত্রী।

পুলিশ জানান, স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে গৃহবধূ তানিয়া আক্তারের সঙ্গে মোবাইলের মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষক মাহদী হাসান বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু গৃহবধূ তানিয়া আক্তার মাহদী হাসান ছাড়াও একাধিক পুরুষের সাথে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং বিষয়টি জানতে পেরে গৃহবধূ তানিয়াকে শাসন ও নিষেধ করেন মাহদী হাসান। এরপরও মাহদী হাসানের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গৃহবধূ তানিয়া একাধিক পুরুষের সাথে সম্পর্ক জালিয়ে যায়। পরে মাহদী হাসান ক্ষিপ্ত হয়ে গত সোমবার রাতে তানিয়া আক্তারের সাথে দেখা করতে কেক নিয়ে মাহদী হাসান তানিয়ার শ্বশুর বাড়ি যায়। পরে কৌশলে গৃহবধূ তানিয়াকে বাড়ির বাথরুমের কাছে নিয়ে যায় এবং সেখানে তানিয়াকে মারধর করে ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যায় মাহদী হাসান। পরে এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবুল হোসেন বাদি হয়ে সিংগাইর থানায় একটি মামলা করেন।

মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মো.বশির আহমেদ জানান, ঘটনার পর থানা পুলিশ হত্যায় জড়িতকে গ্রেপ্তারর করতে চেষ্টা করতে থাকে। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত মাহদী হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনগত ব্যবস্থা শেষে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে। গ্রেপ্তাররের পর পুলিশকে গৃহবধূ তানিয়া আক্তারকে হত্যার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন মাহদী হাসান।