মেহেদী রানার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং

তিনদিনেই চট্টগ্রামের বিপক্ষে ম্যাচ জিতে গেল ঢাকা মেট্রো, সেই সঙ্গে অবসান হল তাদের জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম শ্রেণীর ম্যাচের অভিযান। ৭ ম্যাচ শেষে ঢাকা মেট্রোর পয়েন্ট ২৭, এই আসরে তারাই সম্ভাব্য রানার্স-আপ।

শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলা সিলেট খুব সম্ভবত এবারের আসরে তাদের প্রথম হারের মুখ দেখতে যাচ্ছে একেবারে শেষ ম্যাচে এসে। জিততে হলে শেষদিনে রাজশাহীর বিপক্ষে সিলেটকে করতে হবে ৫৯ রান, হাতে আছে মাত্র ২ উইকেট। ঢাকার বিপক্ষে বরিশালের লিড ১৮৬ রানের আর রংপুরের বিপক্ষে খুলনার লিড ১১৭ রানের।

জয় দিয়ে জাতীয় লিগ শেষ করে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হতে সিলেটের নাবিল সামাদ ও সফর আলিকে লম্বা একটা সফরই একসঙ্গে করতে হবে। রাজশাহীকে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮৬ রানে অলআউট করার পর সিলেট দ্বিতীয় ইনিংসে ভাল ব্যাট করতে পারেনি। ২০১ রানের জয়ের লক্ষ্যে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সিলেটের সংগ্রহ তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ৮ উইকেটে ১৪২ রান। অমিত হাসান ৭১, পিনাক ঘোষ ও  তৌফিক খান ৩০ রান করে করলেও বাকিরা সবাই আউট হয়েছেন এক অংকের রানে। আরো স্পষ্ট করে বললে এদের বাইরে আর কেউ সিলেটের হয়ে ৫ রানও করতে পারেননি; ০,১, ২ আর ৩ রান স্কোরকার্ড জুড়ে। দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান নাবিল ২ আর সফর ৩ রানে থাকার সময় শেষ হয় দিনের খেলা। সিলেটের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ১৪২ রান, জিততে হলে বাকি ২ উইকেটে করতে হবে ৫৯ রান।

চট্টগ্রামকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে ঢাকা  মেট্রো। দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪৬ রানে অলআউট হলে ঢাকা মেট্রোর সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৪১ রান,২৯.৫ ওভারে ৫ উইকেটেই সেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ঢাকা মেট্রো। সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন আইচ মোল্লা। মেট্রোর আরিফ আহমেদ চট্টগ্রামের দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছেন ৫ উইকেট।

বগুড়ায় তৃতীয় দিনের খেলা শেষে বরিশালের দ্বিতীয় ইনিংসের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২০৭ রান। এর আগে ৯ উইকেটে ৩১০ রান করে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ঢাকা বিভাগ। দ্বিতীয় ইনিংসে বরিশালের হয়ে হাফসেঞ্চুরি করেছেন ফজলে মাহমুদ ও মইনুল ইসলাম। খুলনায় রংপুরকে ১৩৩ রানে অলআউট করার পর ফের ব্যাট করতে নেমেছে খুলনা বিভাগ। ২ ওভারে খুলনার সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৬ রান। ১৩৩ রানে অলআউট হওয়া রংপুরের ইনিংসে সর্বোচ্চ ২৪ রান পেসার মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ'র, ৭ উইকেট নিয়েছেন মেহেদি হাসান রানা, যা তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং।