ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন চলাকালে গুলিতে নিহত শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ বিন জাহিদের অসহায় মায়ের সঙ্গে দেখা করেছে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল সোমবার শহীদ জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরার প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেয় দলটি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সিনিয়র সদস্য মাসুদ রানা লিটন ও সদস্য মুসতাকিম বিল্লাহ এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হাবিবুল বাশার।
জাহিদ মারা যাওয়ার ১৪ দিনের মাথায় মা ফাতেমা তুজ জোহরা জানতে পারেন তার ১৪ বছর বয়সী ছেলে মাহমুদুল্লাহ বিন জিসান ক্যানসারে আক্রান্ত। কোলন ক্যানসারে (তৃতীয় পর্যায়) আক্রান্ত ছেলের চিকিৎসার খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। এ ছেলেকেও হারিয়ে ফেলতে হয় কি না, এখন সে ভয় পাচ্ছেন ফাতেমা তুজ জোহরা। ছোট ছেলেকে নিয়ে বর্তমানে রাজধানীর উত্তরখানে থাকেন তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণমাধ্যম সূত্রে জানতে পারেন এমন দুঃখের খবর। এরপরই অসহায় এই পরিবারের পাশে দাঁড়ান তিনি এবং শহীদ জাহিদের ছোট ভাই মাহমুদুল্লাহ বিন জিসানের চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। গতকাল জাহিদের উত্তরখানের বাসায় গিয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেয় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রতিনিধিদল।
ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে সক্রিয় আবদুল্লাহ বিন জাহিদ ঢাকায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। মা ফাতেমা তুজ জোহরা জানান, গত ৫ আগস্ট উত্তরায় এপিবিএন সদর দপ্তরের উল্টো পাশে আবদুল্লাহ বিন জাহিদ গলায় ও পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়। পিঠে যে গুলি লেগেছিল, তা আর শরীর থেকে বের করা যায়নি। গত ৫ আগস্ট রাতেই কিশোরগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে শহীদ জাহিদকে দাফন করা হয়।