স্কুলে আগুন ও ভাঙচুর মামলায় সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন মাস্টারকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার সকালে আফাজ উদ্দিনের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, সাটুরিয়া থানায় তিল্লি ইউনিয়নের পাড় তিল্লী গ্রামের শাহীন খান বাদী হয়ে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ৩৮ জনকে আসামি করে ও অজ্ঞাত নামে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ৫, তারিখ ৬-৯-২০২৪।
সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহিনুল ইসলাম আরও বলেন, এ মামলায় সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন ছাড়াও এর আগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বাদী শাহীন খান বলেন, বিগত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। এরপর থেকে আসামিরা গা ঢাকা দেয় এবং অজ্ঞাত স্থান থেকে বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। আসামিরা গত ১৩ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে ১৫ আগস্ট ‘জাতীয় শোক দিবস’ পালনের অজুহাতে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে দরগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব গেটে আগুন ধরিয়ে দিলে বিদ্যালয়ের আংশিক পুড়ে যায়।
এ ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করে। পরে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়। পরে আমি দরগ্রাম এলাকার সোহানুর রহমান, সোহেল রানা, শ্যামল মিয়াকে নিয়ে বিবাদীদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার জন্য বলি। এতে তারা উত্তেজিত হয়ে চাপাতি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে শ্যামল মিয়ার মাথায় কোপ মারেন। এতে শ্যামল মিয়ার মাথার বাম অংশে লেগে আহত হয়। পরে আমরা কয়েকজন আহত হয়ে সাটুরিয়া হাসপাতালে ভর্তি হই।
সাটুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মাবেন্দ্র বালো বলেন, আফাজ উদ্দিনকে স্কুলে আগুন ও ভাঙচুর মামলায় গ্রেপ্তার করে থানায় রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।