চাঁদাবাজি মামলায় আমান খালাস

১২

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ বছর আগে চাঁদাবাজির একটি মামলায় অধস্তন আদালতের দেওয়া সাত বছরের কারাদ- থেকে খালাস পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান। রায়ের বিরুদ্ধে তার করা আপিল মঞ্জুর করে গতকাল বৃহস্পতিবার এ রায় দেয় বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এদিকে অর্থ পাচারের মামলায় ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে অধস্তন আদালতের দেওয়া সাত বছর কারাদ-াদেশ বাতিল করে তাকে খালাস দিয়েছে হাইকোর্ট। ২০১৯ সালের ২৪ এপ্রিল অধস্তন আদালতের দেওয়া এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে করা আপিল মঞ্জুর করে গতকাল বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেয়।

আমানের মামলায় আপিল আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিম সরকার। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ মামলায় আমান উল্লাহ আমানের সাজা বাতিল করে তাকে খালাস দিয়েছে হাইকোর্ট।’

আইনজীবীদের তথ্য অনুযায়ী, ‘আমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে কেরানীগঞ্জের পূর্ব আগানগর এলাকার রফিকুল নামের এক ব্যক্তি ২০০৭ সালের ৬ মার্চ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় এ মামলাটি করেন। এতে বাদী আমাদের বিরুদ্ধে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ করেন। পরে এ মামলায় আমানকে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ গ্রেপ্তার দেখানো হয়। শুনানি শেষে ২০০৮ সালের ৮ মে তাকে সাত বছর কারাদ- এবং ১ লাখ টাকা অর্থদ-ের রায় দেয় অধস্তন আদালত। একই বছর এ সাজার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন আমান, যা গতকাল নিষ্পত্তি হলো।’

গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের মামলায় আপিল আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ওমর সাদাত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান।

দুদকের আইনজীবী দেশ রূপান্তরকে বলেন, গিয়াস উদ্দিন সেলিম ২০০৭ সাল থেকে কারাগারে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আরও মামলা ছিল। ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী ইতিমধ্যে এ মামলায় তার সাজা খাটা শেষ হয়ে গিয়েছে। আজ (গতকাল) আদালত আপিল মঞ্জুর করে তাকে খালাস দিয়েছে।’

২০১১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলা করে দুদক। ২০০৭ সালের ৩০ জানুয়ারি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেপ্তার হন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। গত ৬ আগস্ট তিনি কারামুক্ত হন।