চট্টগ্রামের বাঁশখালীর উপকুলীয় সরল ইউনিয়নের সাগর উপকূলের লবণমাঠের দখল এবং ঘেরের মাছ লুট করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দুপক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়জন গুরুতর আহত অবস্থায় বাঁশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। পরে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চমেকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সরল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ সরল এলাকায় সংঘর্ষে ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- সরল ১ নং ওয়ার্ডের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (১৭), একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মো. নেজাম উদ্দিন (৩২), আহমদ উল্লাহর ছেলে জয়নাল আবেদীন (২৮) ও মো. আলীর ছেলে মো. জবেদ (২২), মৃত লোকমানের পুত্র মো. ইসমাঈল (৫০) মৃত বশির আহমেদর ছেলে আব্দুল খালেক (৩৮),ফকির আহমদের ছেলে মিনহাজ (২৫)।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সরলের সাগর উপকূলের জেগে উঠা চরে লবণ চাষ করতে গিয়ে কবির গ্রুপ ও মনসুর গ্রুপের এ ঘটনা ঘটে।
বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক জন্নাতুল ফেরদৌস জানান, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে মনসুর আলম বলেন, আমি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি। এলাকায় বন বিভাগের জায়গা নিয়ে মারামারি হয়েছে শুনেছি, বিস্তারিত আর তেমন কিছু জানি না ।
বাঁশখালীর উপকুলীয় বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল বলেন, সরকারি খাস জায়গা দখল নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেলেও বিস্তারিত কিছু জানতে পারিনি।
এ ব্যাপারে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকারি খাস জায়গা নিজেদের দখলে নিতে এ ঘটনা ঘটে। আমি বর্তমানে ঘটনাস্থলে আছি । বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে
উল্লেখ্য বাঁশখালীর উপকূলীয় সরল ইউনিয়নের সাগর উপকূলে জেগে উঠা লবণমাঠের চর ও মাছের ঘের দখল নিয়ে বিগত দিনে অসংখ্যবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।