ভোলার পৌর আলগী দপ্তরি বাড়ি এলাকার পঞ্চাশোর্ধ এক মুদি দোকানীর বিরুদ্ধে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্যাতনের শিকার শিশুটির বাবা এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে গেলে অভিযুক্ত মুদি দোকানীর ছেলে এবং ভাতিজা ভিকটিমের বাবাকে মারধর করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভিকটিমের মা।
এসব ঘটনায় ভোলা থানায় মামলা দিতে গেলে আগে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে ভিকটিমের মা জানিয়েছেন। তবে পুলিশ বলছে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভিকটিমের মা এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে বাড়ির পাশের মুদি দোকানে গেলে দোকানদার শিশুটিকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি বাড়ি গিয়ে মাকে বললে বিষয়টি জানাজানি হয়। এক পর্যায়ে ঘটনার সত্যতা জানতে দোকানীর কাছে গেলে দোকানদারের ছেলে ফয়সাল এবং ভাতিজা জাহিদ ভিকটিমের বাবাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থায়নীয়রা উদ্ধার করে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
ভিকটিমের মা অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত দোকানদারের আত্মীয় সবুজপর স্ত্রী ভোলা সদর হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ে চাকরি করছেন। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে হাসপাতাল থেকে গুরুতর আহত ব্যক্তির নাম কর্তন করিয়েছেন। মেয়ের উপর পাশবিক নির্যাতন এবং স্বামিকে মারধরের বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি।
এ বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ওসি হাসনাইন পারভেজ জানান, এ বিষয়ে তিনি শুনেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।