গুম-খুনের ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন ‍র‍্যাব মহাপরিচালক 

গুম খুনের ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন র‍্যাব মহাপরিচালক এ কেএম শহীদুর রহমান। তিনি বলেছেন. আয়না ঘর ছিলেন। তদন্তের জন‍্য অক্ষত অবস্থায় আছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে কারওয়ানবাজারে মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সন্মেলন এসব কথা বলেন তিনি। এই সময় র‍্যাবের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

তিনি জানান, র‍্যাব মহাপরিচালক গত ৮ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ৫ আগস্টের পর পুলিশ দায়িত্বে না থাকায় র‌্যাব দায়িত্ব পালন করে। সেসময় র‌্যাবের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল। পুলিশের মধ্যে ক্ষোভ নিরসনে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে যান ঝুঁকি নিয়ে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য কাজ করছি। জনগণকে ধন্যবাদ, এলাকায় পাহাড়া দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।

গার্মেন্টস, আনসার বিদ্রোহ, পল্লী বিদ্যুতের বিদ্রোহের আশঙ্কা ছিল। জনগণের কাঙ্ক্ষিত আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক হয়নি বলে মনে করেন। 

তিনি আরও জানান, ৩৫ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন। যেসব সদস্য অপরাধে জড়িত এমন ৫৮ জনসহ গত চার মাসে ১৬ জন সদস্যকে আটক এবং ফৌজদারি মামলার প্রক্রিয়া চলছে। ছাত্র-জনতার ওপর গুলি, হামলার ঘটনায় হুকুমদাতা ৪ মন্ত্রী, ১৭ এমপিসহ মোট ৩৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানে  লুন্ঠিত 
অস্ত্রের প্রায় ৭০ ভাগ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব মহাপরিচালক জানান, জেল পলাতক ১১০ জনকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র‌্যাব তার দায়িত্ব আন্তরিকতার সাথে পালন করছে। নারায়ণগঞ্জের ৭ খুনসহ গুম, খুন সহ অভিযোগের কথা স্বীকার করে সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমেই দায় মুক্তি, অন্যকোনোভাবে নয়।

গত ৪ মাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।  ভবিষ্যতে র‌্যাব গুম, খুনের সঙ্গে জড়িত হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেন।