তামিম ইকবালের ৫৪ বলে ৯১ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে চট্টগ্রাম করেছিল ১৮২ রান। রান তাড়ায় ইফতিখার হোসেন ইফতি (৩৯ বলে ৫৬) ও আবদুল মজিদ (১৯ বলে ১৯) উদ্বোধনী জুটিতে ৮.৫ ওভারে ৭২ রান তুলে ভিত গড়ে দিয়েছিলেন বরিশালতে। সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়েই শেষ ওভারে তাণ্ডব চালিয়ে বরিশালকে জয় এনে দিয়েছেন সালমান হোসেন।
সালমান ব্যাটিংয়ে নামেন ১১তম ওভারে বরিশাল ৭৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে মঈন খান যখন ফিরলেন বরিশালের স্কোর ১৪৬/৫। এরপর ১১ বলে ৩৭ রান দরকার বরিশালের। নতুন ব্যাটসম্যান মঈনুল ১ রান নিয়ে স্ট্রাইক দেন সালমানকে। ১৭ বলে ১৬ রানে অপরাজিত সালমান ওভারের শেষ চার বলে এক ছক্কায় তুলে নেন ১১।
শেষ ওভারে বরিশালের দরকার ২৫ রান। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক অলরাউন্ডার সালমানের স্বীকৃতিটি-টোয়েন্টিতে এটিই সর্বোচ্চ ইনিংস। সেই তিনি পেসার ইফরান হোসেনের করা ম্যাচের শেষ ওভারের প্রথম বলে রান নিতে পারেননি। পরের বলে ডিপ পয়েন্ট দিয়ে ছক্কা মারলেন। লাফিয়ে ওঠা পরের বলটিতে ডিপ মিড উইকেটে দিয়ে ছক্কা বানানোর পর চতুর্থ বলে চার মারেন সালমান। পরের বলে মিড উইকেট দিয়ে আবার ছক্কা। নো বল হওয়ায় বাড়তি একটি রান ও বলও পেয়ে যায় বরিশাল। বাড়তি সেই বলে কোনো রান অবশ্য আসেনি। তাতে শেষ বলে ২ রান দরকার পড়ে সালমানদের। সেই বলে গ্লাইড করে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে চার মেরেই জয়ের উৎসবে মাতেন সালমান।
২৮ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৩ রানে অপরাজিত সালমান অনুমিতভাবেই হয়েছেন ম্যাচসেরা।
এই জয় বরিশালের চার ম্যাচে দ্বিতীয়। একই পারফরম্যান্স চট্টগ্রামেরও।