দেখি কত হাসতে পারো

নাতি : নানা, চলো আজ পার্কে বেড়াতে যাই!

নানা : যাব না মানে, একশবার যাব!

নাতি : থাক, যেয়ে কাজ নেই!

নানা : (অবাক হয়ে) কেন? যাবে না কেন?

নাতি : (চিন্তিত মুখে) একশবার গেলে পায়ে ব্যথা হয়ে যাবে যে!

-----------------------

শিক্ষক : একি মামুন, তোমার অঙ্কের উত্তরে যে বাবার বয়সের থেকে ছেলের বয়স বেশি দেখা যাচ্ছে!

মামুন : হতে পারে, স্যার! ও তো আর সত্যিকারের ছেলে নয়। অঙ্কের ছেলে!

-----------------------

ছোট্ট রুবাবা তার বাবাকে বলল, বাবা, তোমার সব চুলে পেকে গেছে কিন্তু দাড়ি পাকেনি কেন?

বাবা : দাড়িগুলো চুলের থেকে আঠারো বছর ছোট কি না!

-----------------------

এক কবি পেশায় ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট। তার চতুর্থ শ্রেণিতে পড়–য়া ছেলের স্কুলের পরীক্ষায় রচনা এলো, ‘তোমার বাবা’। সেখানে সে লিখল, তার বাবা একজন কবি।

এ কথা জেনে সেই ব্যক্তি তো খুবই খুশি। যাক, এতদিনে পরিবারেও তার কবিসত্তার মূল্যায়ন পেতে শুরু করেছে। তিনি ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন, বাবা, তুমি ম্যাজিস্ট্রেট না লিখে কবি লিখলে কেন?

ছেলের জবাব, ‘ম্যাজিস্ট্রেট’ বানানের থেকে ‘কবি’ বানান সহজ বাবা!

-----------------------

ছেলে : বাবা, আমাদের ক্লাসে আজকে বলেছে, মানুষ অক্সিজেন ছাড়া নিঃশ্বাস নিতে পারে না। কিন্তু অক্সিজেন তো ১৭৭০ সালে আবিষ্কৃত হয়। তাহলে, তার আগে কি কেউ নিঃশ্বাস নিত না?

বাবা : না, কারণ নাকও আবিষ্কার হয়েছিল তখন।

-----------------------

গভীর রাতে দরজায় ঠক ঠক শব্দ শুনে বাড়ির মালিক দরজা খুললেন। দরজার সামনে একজন ভিক্ষুককে দেখে বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার? এত রাতে ভিক্ষা করছ কেন? দিনে আসতে পার না?

ভিক্ষুক : দিনে তো আসছিলাম। ভিক্ষাও নিছি। কিন্তু জিনিসপত্রের যে দাম ওভার টাইম না করলে চলছে না!

গ্রন্থনা : এজাজ পারভেজ