সেই ২০০৬ সাল থেকে বার্সেলোনার মাঠে খেলা মানেই আতলেতিকো মাদ্রিদের জন্য আরেকটি জয়খরা। ২০১২ সাল থেকে আতলেতিকোর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দিয়েগো সিমিওনে। এই সময়ে মাদ্রিদের ক্লাবটিকে দুই বার লা লিগা শিরোপার স্বাদ এনে দিয়েছেন। ২০১৩-১৪ মৌসুমের ন্যু ক্যাম্পে থেকেই উঁচিয়ে তুলেছেন শিরোপা কিন্তু বার্সার মাঠে গিয়ে জয়োল্লাস করতে পারেননি। এ আক্ষেপ এবার ঘুঁচেছে। ১৮ বছর পর ২-১ গোলের জয়ে বার্সার সঙ্গে অ্যাওয়ে ম্যাচে জয়ের স্বাদ পেয়েছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।
ম্যাচের শুরুতে আধিপত্য দেখায় বার্সা। আধঘণ্টা হতেই পেদ্রির গোলে এগিয়ে যায় তারা। বক্সের মধ্যে ঢুকে গাভির সঙ্গে ওয়ান-টু পাসের পর নিচু শটে গোলকিপার ইয়ান ওবলাককে পরাস্ত করেন তিনি।
আধিপত্য দেখালেও স্বাগতিকরা বিরতির পর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। রাফিনহার চিপ করা বল ক্রসবারে লাগে। বেশ কাছ থেকে নেওয়া ফারমিন লোপেজের শট পা দিয়ে রুখে দেন ওবলাক। রবার্ট লেভানডোভস্কিও জাল খুঁজে পাননি। ৬ গজ বক্সের মধ্যে নেওয়া তার দুর্বল শট সহজেই ঠেকান ওবলাক।
গোলমুখের সামনে ব্যর্থ বার্সেলোনা ধাক্কা খায় ৬০তম মিনিটে। বক্সের প্রান্তে মার্ক কাসাদোর দুর্বল ক্লিয়ারেন্সে বল পান রদ্রিগো ডি পল, তারপর নিচু কোনাকুনি শটে জাল কাঁপান এ আর্জেন্টাইন। ম্যাচে নিজেদের গোলের দ্বিতীয় প্রচেষ্টাতে সমতা ফেরায় অ্যাটলেটিকো।
লিড নিয়েও যখন পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ার হতাশায় ভুগছিল বার্সা, ঠিক তখনই তাদের যন্ত্রণা আরও বাড়িয়ে দেয় মাদ্রিদ ক্লাব। ইনজুরি টাইমের ষষ্ঠ মিনিটে নাহুয়েল মলিনার ক্রসে প্রথমবারের চেষ্টাতেই জালে বল জড়িয়ে দেন বদলি নামা আলেক্সান্দার সোরলোথ।
তাতে সব প্রতিযোগিতা মিলে টানা ১২তম জয় পায় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। এক ম্যাচ হাতে রেখে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে তারা এক নম্বরে। লিগে তিন ম্যাচ জয়খরায় থাকা বার্সেলোনার (৩৮) চেয়ে তিন পয়েন্টে এগিয়ে দিয়েগো সিমিওনের দল।