ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মোহাম্মদ লিয়াকত আলী লাকীসহ ৩২ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আলাদা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া এ আদেশ দেন।
সাঈদ খোকনসহ চারজন : সাঈদ খোকন, তার মা শাহানা হানিফ, স্ত্রী ফারহানা সাঈদ এবং জাবেদ আহমেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন দুদকের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান।
শাহরিয়ার আলমসহ চারজন : সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, তার স্ত্রী সিলভিয়া পারভীন, ছেলে সাদমান শাহরিয়ার ও আহনাফ শাহরিয়ারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন।
এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর শাহরিয়ার, তার স্ত্রী ও দুই ছেলের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
লাকীসহ শিল্পকলার ২৪ জন : শিল্পকলা একাডেমির সাবেক ডিজি লিয়াকত আলী লাকীসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। আবেদনে বলা হয়, শিল্পকলা একাডেমির বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ ২৩ জনকে নিয়োগ দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ৬ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক সুমিত্রা সেন ২৪ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলাটি করেন। মামলার এসব আসামি দেশত্যাগ করতে পারেন বলে জানা গেছে।
লাকী ছাড়া নিষেধাজ্ঞা দেওয়া অন্য ২৩ জন হলেনÑ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক (প্রশাসন) জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী, কালচারাল অফিসার আল মামুন, মো. হামিদুর রহমান, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, হাসান মাহমুদ, বেগম বুনা লায়লা মাহমুদ, সহকারী পরিচালক (বাজেট ও প্ল্যানিং) বেগম সামিরা আহমেদ, স্টেজ ম্যানেজার বেগম রহিমা খাতুন, গাইড লেকচারার মো. মাহাবুবুর রহমান, ইনস্ট্রাকটর (সংগীত ও যন্ত্র) বেগম মীন আরা পারভীন, ইনস্ট্রাকটর (নৃত্য) প্রিয়াংকা সাহা, যন্ত্রশিল্পী (গ্রেড-৩) নারায়ণ দেব লিটন ও মোহাম্মদ জিয়াউল আবেদীন, নৃত্যশিল্পী (গ্রেড-৩) বেগম লায়লা ইয়াসমিন, বেগম মিফতাহুল বিনতে মাসুক, আলকা দাশ প্রাপ্তি ও বেগম সুমাইতাহ তাবাসসুম খানম, কণ্ঠশিল্পী বেগম রোকসানা আক্তার রূপসা, আবদুল্লাহেল রাফি তালুকদার, মো. সোহানুর রহমান, বেগম আবিদা রহমান সেতু ও মোহনা দাস এবং ক্যামেরাম্যান (জনসংযোগ) মো. রুবেল মিয়া।