জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন ভর্তি পরীক্ষায় ভিসি কোটা বাতিল, পোষ্য কোটার যৌক্তিক সংস্কার, অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা পদ্ধতি চালু এবং ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি কমানোর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে গণ-অভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলন ব্যানারে এই মানববন্ধন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক সম্মান প্রথম বর্ষের (২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে) ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে প্রশাসন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনি কোটা বাতিলের কথা জানানো হলেও কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি।
মানববন্ধন সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জুবায়ের শাবাব। মানববন্ধনে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থী শোয়াইব হাসান বলেন, পোষ্য কোটার যেন যৌক্তিক সংস্কার করা হয়। সেই ক্ষেত্রে নবম গ্রেড অথবা তার অধিক পদমর্যাদার কোনো শিক্ষক কিংবা কর্মকর্তা এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না। যেহেতু তারা সমাজের কোনো অনগ্রসর অংশ নন সুতরাং তাদের এ রকম একটি অতিরিক্ত সুবিধা গ্রহণ করা বৈষম্যবিরোধী যে চেতনা তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমরা একই সঙ্গে বলেছি, পোষ্য কোটার ক্ষেত্রে যেন ন্যূনতম একটা স্ট্যান্ডার্ড কাট মার্ক রাখা হয় এবং সেই কাট মার্কটা যথাযথভাবে অনুসরণ করেই যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়।
গণ-অভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে যে অনিয়ম, দুর্নীতি হতো সেগুলোর ব্যাপারে গণ-অভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলন বরাবরই সোচ্চার।