বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ঠিক না হলে শুধু এই অঞ্চল নয়, সবাইকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। আজ শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বহির্বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক ইস্যুতে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশকে সব দেশের সঙ্গেই সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো রাখতে হবে। সবার সঙ্গে আমাদের বন্দুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিমত থাকতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ চায় মিয়ানমারে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। মিয়ানমার সীমান্তের প্রায় শতভাগ আরাকান আর্মির দখলে চলে গেছে-এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিয়ে এখনই কথা বলা যাচ্ছে না। তাই আগামী দুই থেকে ছয় মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা নেই। শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে রোহিঙ্গাদের ফেরানোর ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে সেখানেও শান্তি থাকবে না।
অনুষ্ঠানে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, গত ১৫ বছর ছিল গদি রক্ষার নীতি, কোনো পররাষ্ট্রনীতি ছিল না। নিজেদের গদি রক্ষার্থে অন্যদের সহায়তা নিয়েছে আর ভারত সেখানে প্রধান জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছিল। বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করবে এমন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়োজন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নিরাপত্তার ব্যাপারে জাতীয় সিকিউরিটি আর্কিটেকচার প্রয়োজন। পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আমরা এখনও ঐক্যমতে পৌঁছাতে পারিনি। কূটনীতিক কর্মকাণ্ডে এআইসহ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।